Hormuz mines: নিজের পাতা মাইনই খুঁজে পাচ্ছে না ইরান! হরমুজে গোলমালে তেলের বাজারে টান

Iran Strait of Hormuz mines: নিজেদের পাতা ফাঁদে নিজেরাই আটকে ইরান। হরমুজ প্রণালীতে যে নৌ-মাইন পোঁতা হয়েছিল, সেগুলি এখন কোথায় আছে, তা খুঁজে পাচ্ছে না তেহরান। ফলে কূটনৈতিক সমস্যা মিটলেও জলপথ পুরোপুরি খুলতে দেরি হচ্ছে।

Advertisement
নিজের পাতা মাইনই খুঁজে পাচ্ছে না ইরান! হরমুজে গোলমালে তেলের বাজারে টানযে নৌ-মাইন পোঁতা হয়েছিল, সেগুলি এখন কোথায় আছে, তা খুঁজে পাচ্ছে না তেহরান।
হাইলাইটস
  • নিজেদের পাতা ফাঁদে নিজেরাই আটকে ইরান।
  • যে নৌ-মাইন পোঁতা হয়েছিল, সেগুলি এখন কোথায় আছে, তা খুঁজে পাচ্ছে না তেহরান।
  • কূটনৈতিক সমস্যা মিটলেও জলপথ পুরোপুরি খুলতে দেরি হচ্ছে।

Iran Strait of Hormuz mines: নিজেদের পাতা ফাঁদে নিজেরাই আটকে ইরান। হরমুজ প্রণালীতে যে নৌ-মাইন পোঁতা হয়েছিল, সেগুলি এখন কোথায় আছে, তা খুঁজে পাচ্ছে না তেহরান। ফলে কূটনৈতিক সমস্যা মিটলেও জলপথ পুরোপুরি খুলতে দেরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলে এই পরিস্থিতি ঘিরে খানিক হাসির খোরাক হয়ে গিয়েছে ইরান। হরমুজ যেমন অন্য দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই ইরানের জন্যও। কারণ এই পথ দিয়ে জাহাজ পিছু মোটা টাকা টোল তোলে ইরান। মাইন তুলতে না পারলে সেই ইনকামও আটকে তেহরানের। 

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, ইরান গত মাসে ছোট ছোট নৌকা ব্যবহার করে তাড়াহুড়ো করে এই মাইন বসানোর কাজ শুরু করেছিল। সেই সময় United States এবং Israel-এর সংঘাত চলছিল Iran-এর। তবে গোটা অপারেশনটি নাকি খুব একটা পরিকল্পিত ছিল না। অনেকটা তাড়াহুড়ো করে কাজ হওয়ায় এখন নিজেরাই বিপাকে পড়েছে ইরান।
What are sea mines Iran is planting near Strait of Hormuz? Why is it saying  that aloud? - India Today

হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। এখান দিয়েই বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহণ হয়। মার্চের শুরুতেই ইরানের গার্ড বাহিনীর এক শীর্ষ আধিকারিক ঘোষণা করেছিলেন, এই পথ কার্যত বন্ধ। এমনকি হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, কোনও জাহাজ ঢুকলে সেটিকে ‘আগুনে ধ্বংস করে দেওয়া’ হতে পারে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়তে শুরু করে।

মাইন পোঁতার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। তেলের ট্যাঙ্কারের যাতায়াত কমে যায়। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কাও বাড়ে। সব মিলিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই কৌশল ইরানের হাতে শক্তিশালী অস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

কিন্তু সমস্যা হল; সেই অস্ত্রই এখন ইরানকে চাপে ফেলে দিয়েছে। মার্কিন সূত্রের খবর, মাইনগুলি এলোমেলোভাবে বসানো হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী মাইন বসানোর আগেই ম্যাপিং করে নেওয়া উচিত। তারপর সেই ম্যাপ দেখে দেখেই, অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ মেপে মাইন বসাতে হয়। সম্ভত সেই হিসেব-নিকেশেই গন্ডগোল করেছে ইরান। তার উপর সমুদ্রস্রোতের কারণে কিছু মাইন ভেসে গিয়েছে বলেও আশঙ্কা। ফলে এখন সেগুলি খুঁজে বের করাই বড় চ্যালেঞ্জ।

Advertisement

যদিও ইরান একটি সরু করিডর খোলা রেখেছে। সেখানে কোনও মাইন নেই। আর সেই প্যাসেজ দিয়েই টোল দিয়ে কিছু জাহাজ পারাপার করছে। তবে সেই পথও ঝুঁকিমুক্ত নয়। মানচিত্র দিয়ে নিরাপদ পথ দেখানোর চেষ্টা করা হলেও তা বেশ সীমিত পরিসরেই রয়েছে।

এদিকে ট্রাম্প (Donald Trump) আগের মতোই চোটপাট করেই চলেছেন। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা এই জলপথ কত দ্রুত ও নিরাপদে খোলা হবে, তার উপরেই নির্ভর করছে। কিন্তু ইরানের বিদেশমন্ত্রী Abbas Araghchi আরও কিছুটা সময় চাইছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইন বসানো যত সহজ, তা সরানো ততটাই কঠিন। উন্নত প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও United States-এর মতো দেশকেও বিশেষ জাহাজ ব্যবহার করতে হয়। সেখানে ইরানের পক্ষে দ্রুত এই কাজ করা আরও কঠিন।

সব মিলিয়ে, যুদ্ধের কৌশল এখন ‘কমেডি অফ এরর’-এ পরিণত হয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকে। নিজেদেরই পাতা ফাঁদে নিজেরাই আটকে ইরান।  

POST A COMMENT
Advertisement