সর্বোচ্চ নেতার নাম ঘোষণা করল ইরানইরানে যুদ্ধ এখনও চলছে। রবিবারও ইরানের উপর মিসাইল স্ট্রাইক করেছে ইজরায়েল ও আমেরিকা। এরইমধ্যে আয়াতোল্লাহ খামেনেই-এর ফাঁকা আসনের জন্য তাঁর ছেলেকেই বাছল ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতার পদে বসানো হল আয়াতোল্লাহ খামেনেইয়ের ছেলে মোজতবা খামেনেইকে।
রিপোর্ট বলছে, ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা তাঁর বাবার মতোই একজন উগ্র ধর্মযাজক। জানা যাচ্ছে, সে নিজে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সেই সূত্র ধরেই এই পদে আসীন হলেন তিনি। তবে আয়াতোল্লাহ খামেনেই-এর মৃত্যুর পর থেকেই সর্বোচ্চ নেতার পদের জন্য মোজতবার নামই বারেবারে উঠে আসছিল।
যদিও ইরানে সাধারণ ভাবে বংশগত উত্তরাধিকারের নীতি লাগু হয় না। কিন্তু যেহেতু মোজতবার এই পদের জন্য শক্তিশালী সমর্থন ভিত্তি রয়েছে তাই শেষ পর্যন্ত তাঁকেই বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য বিষয় হল, ইরানের যে কোনও বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা রয়েছে সুপ্রিম লিডারের হাতে। এরফলে এই পদে আসীন ব্যক্তির ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের চেয়েও বেশি থাকে।
ইরানে বর্তমানে কে কোন দায়িত্বে রয়েছে?
আলি খামেনেই-এর মৃত্যুর পর বর্তমানে ইরানে কোনও একজন ব্যক্তির হাতে সব ক্ষমতা নেই। তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিল এই কদিন দেশের যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁরা হলেন, আলীরেজা আরাফি (অন্তর্বর্তীকালীন সর্বোচ্চ নেতা), প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইরানের প্রধান বিচারপতি গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজে'ই।
টার্গেট হতে পারেন মোজতবাও
ইজরায়েল ও ডোনাল্ড ট্রাম্প উভয়ই নতুন সর্বোচ্চ নেতা সম্পর্কে কড়া সতর্কবার্তা জারি করেছেন। দুই দেশের তরফেই হুমকি দিয়ে বলা হয়েছে, প্রয়োজনে নতুন নেতাকে টার্গেট করা হতে পারে। রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চেয়েছিলেন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজের পছন্দ রাখতে। কিন্তু রান স্পষ্টভাবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে। ফলে বিষয়টি নিয়ে আরও জলঘোলা হতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।