Iran on Hormuz Reopening: হরমুজ খোলার জন্য '৭ দিনের প্ল্যান' ইরানের, আমেরিকার সামনে কী কী শর্ত?

ইরান আবার হরমুজ খুলতে চাইছে। সেই মতো ৭ দিনের প্ল্যান সামনে এনেছে তারা। এই প্ল্যানে কী কী শর্ত রয়েছে আমেরিকার জন্য? ওয়াশিংটন এই শর্ত মেনে নেবে?

Advertisement
হরমুজ খোলার জন্য '৭ দিনের প্ল্যান' ইরানের, আমেরিকার সামনে কী কী শর্ত?হরমুজ খুলতে ৭ দিনের প্ল্যান (ছবি: রয়টার্স)
হাইলাইটস
  • ইরান আবার হরমুজ খুলতে চাইছে
  • সেই মতো ৭ দিনের প্ল্যান সামনে এনেছে তারা
  • ই প্ল্যানে কী কী শর্ত রয়েছে আমেরিকার জন্য?

ফের খুলে যাবে হরমুজ প্রণালী? অন্তত এমনই পরিকল্পনা করছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে হরমুজ খুলতে একটি সাত দিনের প্ল্যানিং ওয়াশিংটনের সামনে রাখা হচ্ছে। ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী ফের খুলে দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে গোটা অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। 

আর ইরান এই পরিকল্পনা তখন সামনে নিয়ে এল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাঁদের বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

মাথায় রাখতে হবে, হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। এই জলপথে ইরান এবং আমেরিকার যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। কার্যত বন্ধ এই রাস্তা। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষত, এই জলপথ দিয়ে রফতানি হওয়া তেলের উপর নির্ভরশীল চিন। তাই তাদের জন্য এই পথ স্বাভাবিক হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া জানিয়েছে, শি জিনপিং আমেরিকা ও ইরানকে জুন মাসের পুরনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশিবৃহত্তর সমঝোতার জন্য ফের আলোচনা শুরু করার কথাও বলেছেন তিনি।

ওদিকে আবার ইরানকে কোনওরকম সাহায্য না দেওয়ার জন্য শি জিনপিংকে সতর্ক করেছেন ট্রাম্প। তবে চিনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ জানিয়েছেন, চিন আমেরিকাকে আশ্বস্ত করেছে যে তারা তেহরানকে সমর্থন করবে না।

ইরানের সাত দিনের হরমুজ প্রস্তাব
বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছে ইরান। তাদের  বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, কাতারের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে একটি 'সুনির্দিষ্ট সাত দিনের প্ল্যানিং' পাঠিয়েছে তেহরান।

শুক্রবার রাষ্ট্রসঙ্ঘে সাংবাদিকদের আরাঘচি বলেন, 'প্রয়োজনীয় শর্তগুলি পূরণ হলে হরমুজ প্রণালী ফের খুলে দেওয়া সম্ভব। সাত দিনের মধ্যেই স্বাভাবিক নৌ চলাচল শুরু করা যেতে পারে। এখন সিদ্ধান্ত আমেরিকার হাতে।'

তিনি জানান, ওয়াশিংটন এই প্রস্তাব গ্রহণ করার পর থেকেই সাত দিনের সময়সীমা শুরু হবে।

এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইরান হরমুজ প্রণালী খুলে দেবে। এমনকী লেবানন সহ গোটা অঞ্চলে হামলা বন্ধ করবে। এর বিনিময়ে আমেরিকাকে ইরানের বন্দরগুলির উপর অবরোধ তুলে নিতে হবে। ইরানের আটকে রাখা অর্থ ছাড়তে হবে। ইরানের তেলের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। 

Advertisement

এক মার্কিন আধিকারিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ইতিবাচক ও গঠনমূলক আলোচনা চালাচ্ছে। আলোচনায় পরমাণু কর্মসূচি সংক্রান্ত বিষয়ও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তবে এক ইরানি শীর্ষ আধিকারিক রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আমেরিকা এই শান্তি প্রস্তাব মেনে নিলেও ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কোনও আপস করবে না। এখন দেখার পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়। হরমুজ খুলে যায় কি না। 

 

POST A COMMENT
Advertisement