US Iran War: ইরান যুদ্ধ শেষের পথে? ইউরেনিয়াম ভাণ্ডার ছেড়ে দিতে প্রস্তুত তেহরান!

আমেরিকা ও ইরানের যুদ্ধ প্রায় শেষের পথে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কার্যত মহাসন্ধিক্ষণে এসে পৌঁছেছে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলা সংঘাত। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, তেহরান যুদ্ধের অবস্থানে নিজেদের সুর নরম করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Advertisement
ইরান যুদ্ধ শেষের পথে? ইউরেনিয়াম ভাণ্ডার ছেড়ে দিতে প্রস্তুত তেহরান!ইউরেনিয়াম ভাণ্ডার ছেড়ে দিতে প্রস্তুত তেহরান!
হাইলাইটস
  • আমেরিকা ও ইরানের যুদ্ধ প্রায় শেষের পথে।
  • তেহরান যুদ্ধের অবস্থানে নিজেদের সুর নরম করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
  • ইরান তাদের ইউরেনিয়ামের ভাণ্ডার কোনও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছে।

আমেরিকা ও ইরানের যুদ্ধ প্রায় শেষের পথে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কার্যত মহাসন্ধিক্ষণে এসে পৌঁছেছে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলা সংঘাত। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, তেহরান যুদ্ধের অবস্থানে নিজেদের সুর নরম করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। শান্তি চুক্তির ক্ষেত্রে আমেরিকার একটি উল্লেখযোগ্য শর্ত হল, ইরানকে সমৃদ্ধশালী ইউরেনিয়ামের ভাণ্ডার ছেড়ে দিতে হবে। দাবি করা হচ্ছে, এই শর্তেই রাজি হচ্ছে তেহরান।

একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন আধিকারিকরা জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত চুক্তিতে ইরান তাদের ইউরেনিয়ামের ভাণ্ডার  কোনও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছে। তবে কোন পদ্ধতিতে তা করা হবে তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে।

ট্রাম্প আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার বলেছেন, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। ট্রাম্পের মতে, এই চুক্তি শুধু যুদ্ধ শেষ করার পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী ফের খুলে দেওয়ার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। ফলে এই চুক্তির পর হরমুজ খুলে গেল তা বিশ্ববাসীর জন্য বড়সড় স্বস্তির বার্তা হবে। কারণ, গত বেশ কয়েক মাস ধরে এই প্রণালীটি বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। একাধিক দেশে চড়চড় করে দাম বাড়ছে জ্বালানির। সেই তালিকায় রয়েছে ভারতও।

ইরান ও ইউরেনিয়ামের ভাণ্ডার

ইরান প্রাথমিকভাবে চুক্তির প্রথম পর্বে এই বিষয়টি জুড়তে অনিচ্ছুক ছিল। তেহরান চেয়েছিল ইউরেনিয়াম ইস্যুটির নিষ্পত্তি পরবর্তী আলোচনায় হোক, কিন্তু মার্কিন আলোচকরা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, প্রাথমিক চুক্তিতে এই বিষয়ে কোনও প্রতিশ্রুতি না দেওয়া হলে আমেরিকা আলোচনা ছেড়ে ফের সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে।

ইরানে ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা জানাচ্ছে, ইরানের কাছে প্রায় ৯৭০ পাউন্ড ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাত্রা।

রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে নতুন পারমাণবিক আলোচনা শুরু হতে পারে। সেই আলোচনায় নির্ধারণ করা হবে ইরান তার ইউরেনিয়াম মজুদ নিয়ে কী করবে এবং তার ভবিষ্যৎ পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর কী কী সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হবে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, তেহরানকে চুক্তি মেনে চলতে উৎসাহিত করার জন্য বিদেশে থাকা ইরানের শত শত কোটি ডলারের সম্পদ ধীরে ধীরে ছাড়ানো হতে পারে।

Advertisement

মোজতবা খামেনেইয়ের বিবৃতি

মার্কিন দাবির সত্যতা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরেই জানা যাবে। কিন্তু গতকাল খবরে প্রকাশিত হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই স্পষ্ট করে জানিছেন, ইরান সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশ থেকে বাইরে যেতে দেবে না। 

 

POST A COMMENT
Advertisement