Iran threatens US: 'আমাদের পাওয়ার প্ল্যান্টে হামলা হলে হরমুজ পুরো বন্ধ করে দেব', ট্রাম্পের হুমকির পাল্টা ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ একেবারে ভয়ঙ্কর জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। আমেরিকা এবং ইরান পরস্পরকে সরাসরি হুমকি দিচ্ছে। যার ফলে বাড়ছে জটিলতা। এই যেমন আমেরিকার হুমকির সামনে পড়ে হরমুজ প্রণালী একবারে বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলেছে ইরান। আর তাতেই সারা বিশ্বে জ্বালানির দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেজ্ঞরা। 

Advertisement
'আমাদের পাওয়ার প্ল্যান্টে হামলা হলে হরমুজ পুরো বন্ধ করে দেব', ট্রাম্পের হুমকির পাল্টা ইরানেরআমেরিকাকে হুমকি ইরানের
হাইলাইটস
  • মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ একেবারে ভয়ঙ্কর জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে
  • আমেরিকা এবং ইরান পরস্পরকে সরাসরি হুমকি দিচ্ছে
  • হরমুজ প্রণালী একবারে বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলেছে ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ একেবারে ভয়ঙ্কর জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। আমেরিকা এবং ইরান পরস্পরকে সরাসরি হুমকি দিচ্ছে। যার ফলে বাড়ছে জটিলতা। এই যেমন আমেরিকার হুমকির সামনে পড়ে হরমুজ প্রণালী একবারে বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলেছে ইরান। আর তাতেই সারা বিশ্বে জ্বালানির দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেজ্ঞরা। 

আসলে গোটা বিশ্বে যে পরিমাণ তেলের চাহিদা রয়েছে, তার একটা বড় অংশ হরমুজ হয়েই যায়। আর সেই সমুদ্রপথ বন্ধ হলে যে বিপদ বাড়বে, এই কথা তো বলাই বাহুল্য। 

আর এই বিষয়টা ঠিকই বুঝেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই তিনি হরমুজ প্রণালী খুলে ফেলার হুমকি দিয়েছেন। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই পথ খুলে দেওয়ার দিয়েছে আল্টিমেটাম। 

ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যেই খুলে দিতে হবে হরমুজ। নইলে ইরানের বড় বড় সব পাওয়ার প্ল্যান্টে হামলা করা হবে। যদিও চুপ করে বসে নেই ইরানও। তারাও পাল্টা আক্রমণের বার্তা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, যদি তাদের কোনও পাওয়ার প্ল্যান্টে হামলা করা হয়, তাহলে তারাও এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের জ্বালানি কেন্দ্র এবং জলের প্ল্যান্টে করবে হামলা। এমনকী হরমুজ একবারে বন্ধ করে দেবে। 

মাথায় রাখতে হবে, রবিবারই হরমুজ নিয়ে একটা বিরাট পোস্ট করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি এক্স একটি পোস্ট করে জানান, হরমুজ প্রণালী সবার জন্যই খুলে দেওয়া হল। শুধু শত্রুদের জন্য এর দ্বার বন্ধ। 

কার্যত বন্ধ হরমুজ
ইরান যুদ্ধের পর থেকেই কার্যত বন্ধ রয়েছে হরমুজ। এই এলাকা দিয়ে যেতে পারছে না তেল এবং গ্যাস বোঝাই ট্যাঙ্কার। যার ফলে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। 

মাথায় রাখতে হবে, বিশ্বের জ্বালানি চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ আসে হরমুজ থেকে। তাই এই সমুদ্রপথ বন্ধ থাকার ফলে সারা পৃথিবীতেই বাড়ছে আতঙ্ক। তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এমনকী গ্যাসের আকালও তৈরি হয়েছে। আর সেই তালিকায় রয়েছে ভারতও। আমাদের দেশেও গ্যাসের সঙ্কট তৈরি হয়েছে। বিশেষত, বাণিজ্যিক গ্যাস নিয়েই যত সমস্যা। বুকিংয়ের পর সিলিন্ডার মিলছে না বলে অভিযোগ। 

Advertisement

তাই এখন দেখার পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়। কবে শান্ত হয় মধ্যপ্রাচ্য। যদিও সেটা যে খুব তাড়াতাড়ি হচ্ছে না, সেটাই মনে করছেন একাংশের বিশেষজ্ঞ। 


 

POST A COMMENT
Advertisement