Iran War Impact PoK: PoK-তে সব স্কুল বন্ধ, তেলের দাম আকাশছোঁয়া, ভিখারির দশা ইসলামাবাদের

ইরান যুদ্ধ চলছে। উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। আর এমন পরিস্থিতিতে খারাপ অবস্থা পাকিস্তানের। বিশেষত, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) হাল সবথেকে খারাপ। আর এমন অবস্থায় গিলগিট, বালিস্তানের সিনিয়র নেতা শাফকা আলি ইনক্লাবি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। 

Advertisement
PoK-তে সব স্কুল বন্ধ, তেলের দাম আকাশছোঁয়া, ভিখারির দশা ইসলামাবাদেরইরান যুদ্ধে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের অবস্থা
হাইলাইটস
  • ইরান যুদ্ধ চলছে, উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য
  • পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) হাল সবথেকে খারাপ
  • গিলগিট, বালিস্তানের সিনিয়র নেতা শাফকা আলি ইনক্লাবি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন

ইরান যুদ্ধ চলছে। উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। আর এমন পরিস্থিতিতে খারাপ অবস্থা পাকিস্তানের। বিশেষত, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) হাল সবথেকে খারাপ। আর এমন অবস্থায় গিলগিট, বালিস্তানের সিনিয়র নেতা শাফকা আলি ইনক্লাবি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। 

ইনক্লাবি দাবি করেন, ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি সরাসরি পাকিস্তানের উপর প্রভাব ফেলেছে। বিশেষত, আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর ফলে গিলগিট, বালিস্তান ধুঁকতে শুরু করেছে। সেখানকার সাধারণ মানুষের জীবন সঙ্কটে।

শাফকা আলি ইনক্লাবি জানান, সারা পৃথিবীতেই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে। জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে একাধিক দেশ। সেই পরিস্থিতিতে বিপদে পড়েছে পাকিস্তান। তাদের দেশে পেট্রোলের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। লিটারে ৫৫ টাকা বেড়ে গিয়েছে পেট্রোলের দাম। তার ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। 

জ্বালানির দাম সমস্যা বাড়াচ্ছে
ইনক্লাবি জানান, পেট্রোলের দাম বেড়েছে। যার ফলে সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়েছে সেই অঞ্চলে বসবাসকারীরা। শুধু তাই নয়, এই অঞ্চলের ব্যবসার অবস্থাও খারাপ। 

তাঁর মতে, পেট্রোলের দাম বাড়ায় ট্রান্সপোর্টের খরচ বেড়েছে। যার ফলে বৃদ্ধি পেয়েছে ফল, শাক, সবজি এবং জরুরি খাবারের দাম। এমনকী স্কুলও বন্ধ হয়েছে। তাই গিলগিট এবং বালিস্তানের বাসিন্দাদের পক্ষে জীবন কাটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাঁরা সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। 

ইনক্লাবির আরও দাবি, গিলগিট-বালিস্তানের এমন অনেক জায়গা আছে, যেখানে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছনো অনেক কঠিন। আর পেট্রোলের দাম বাড়ায় সেটা আরও জটিল রূপ ধারণ করেছে।

ভারতেও সমস্যা রয়েছে
যদিও শুধু পাকিস্তান নয়। খারাপ অবস্থা ভারতের একাধিক জায়গার। যদিও আমাদের দেশে সরাসরি গৃহস্থালীর হেঁশেলে কোনও প্রভাব পড়েনি। তবে বাণিজ্যিক গ্যাস নিয়েই যত সমস্যা। এই কারণে বন্ধ হয়েছে একাধিক রেস্তোরাঁও।

কিন্তু ইতিমধ্যেই ভারত নিজের ঘর গুছিয়ে নিয়েছে। ইরান ছেড়ে দিয়েছে ভারতের ২ এলপিজি বোঝাই ট্যাঙ্কার। তাই আশা করা হচ্ছে, আমাদের দেশে আর সঙ্কট থাকবে না। কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি একদম স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু পাকিস্তানের অবস্থা যে এখনও শোধরানোর নয়, সেটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। কারণ, সেই দেশের সরকারের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে না। আর এটাই সেখানকার জনগণের জন্য খারাপ খবর। 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement