Iran Warns US: হামলা করলেই পরমাণু বোমা? আমেরিকাকে বড় হুমকি ইরানের

ফের হামলা হলে পরমাণু বোমা! ভয়ঙ্কর হুমকি দিল ইরান। নিজেদের ইউরেনিয়াম মজুদ বাড়ানোরও হুঁশিয়ারি দিল তেহরান। ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশনীতি কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাইয়ের এই মন্তব্য ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

Advertisement
হামলা করলেই পরমাণু বোমা? আমেরিকাকে বড় হুমকি ইরানেরএবার আমেরিকাকে সরাসরি পরমাণু বোমার হুঁশিয়ারি তেহরানের।
হাইলাইটস
  • ফের হামলা হলে পরমাণু বোমা! ভয়ঙ্কর হুমকি দিল ইরান।
  • নিজেদের ইউরেনিয়াম মজুদ বাড়ানোরও হুঁশিয়ারি দিল তেহরান।
  • বিদেশনীতি কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাইয়ের এই মন্তব্য ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফের হামলা হলে পরমাণু বোমা! ভয়ঙ্কর হুমকি দিল ইরান। নিজেদের ইউরেনিয়াম মজুদ বাড়ানোরও হুঁশিয়ারি দিল তেহরান। ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশনীতি কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাইয়ের এই মন্তব্য ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। কারণ ৯০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামকে সাধারণত পরমাণু অস্ত্র তৈরির উপযোগী বলেই মনে করা হয়।

মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে ইব্রাহিম রেজাই লেখেন, 'ইরানের উপর আবার হামলা হলে দেশ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার পথে হাঁটতে পারে। বিষয়টি সংসদে খতিয়ে দেখা হবে।' তাঁর এই মন্তব্যের পর থেকেই পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত জুন মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দাবি করেছিলেন, ১২ দিন ধরে চলা সংঘর্ষে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের হামলায় ইরানের একাধিক পরমাণু কেন্দ্র 'সম্পূর্ণ ধ্বংস' হয়ে গিয়েছে। তাঁর দাবি ছিল, ওই হামলার ফলে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা খেয়েছে ইরান।

তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের মতে, ইরানের কাছে থাকা প্রায় ৪০০ কিলোগ্রাম ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের কী হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির অনুমান, ওই উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভান্ডার সরানো বা ধ্বংস না করা গেলে ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে পুরোপুরি থামানো সম্ভব নয়।

প্রসঙ্গত, ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজরায়েল যৌথ ভাবে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এরপর শুরু হয় সংঘর্ষ। বর্তমানে সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত। যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ করার বিষয়ে এখনও কোনও ঐকমত্যে পৌঁছতে পারেনি দুই পক্ষ।

এই মুহূর্তে পরমাণু কর্মসূচিই আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিবাদের কারণ। ইরান চাইছে, পরমাণু ইস্যু নিয়ে আলোচনা পরে হোক। অন্য দিকে আমেরিকার দাবি, ইরানকে দেশের বাইরে পাঠাতে হবে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভান্ডার। পাশাপাশি দেশীয় স্তরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার প্রক্রিয়াও বন্ধ করতে হবে।

Advertisement

এদিকে ইরানের সংসদের স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf জানিয়েছেন, আমেরিকার সামনে '১৪ দফা প্রস্তাবে উল্লেখ করা ইরানের জনগণের অধিকার মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনও রাস্তা নেই।' তাঁর হুঁশিয়ারি, 'যত দেরি হবে, আমেরিকার করদাতাদের তত বেশি মূল্য দিতে হবে।'

এর আগেও গালিবাফ জানিয়েছিলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যে কোনও হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত। তাঁর কথায়, 'আমরা সব পরিস্থিতির জন্য তৈরি। আমাদের পাল্টা জবাব দেখে আমেরিকা অবাক হয়ে যাবে।'

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই নতুন হুঁশিয়ারি পশ্চিম এশিয়ায় ফের অস্থিরতা বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরমাণু কূটনীতিতেও নতুন চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

POST A COMMENT
Advertisement