সম্মুখ সমরে ইরান-আমেরিকা? ইরান সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার পাল্টা দিল খামেনেই সরকার। আমেরিকা যদি সামরিক হামলা চালায়, তবে তারাও চুপ করে বসে থাকবে না, পাল্টা হামলা চালাবে, ইজরায়েল ও তৎসংলগ্ন জায়গায় যে সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেই জায়গাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। সাফ জানাল ইরান। এদিকে ইরানের এই হুঁশিয়ারির জেরে সতর্ক ইজরায়েল। সেখানে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
আজ ইরানের সংসদে স্পিকার মহম্মদ বাকির কালিবাফ এই প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি সেখানে বলেন, যদি ইরানে আক্রমণ করা হয় তাহলে ইজরায়েল ও আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি এবং যুদ্ধজাহাজে আক্রমণ করা হবে। তিনি বলেন, 'ওদের যে সব সামরিক ঘাঁটি রয়েছে সেগুলোকে আমরা লক্ষ্যবস্তু করব।'
২০২২ সালের পর ইরানে ফের সরকার বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে রাস্তায় নেমেছে সাধারণ মানুষ। অনেকে সরকারের পতনের ডাকও দিয়েছে। গণবিদ্রোহ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও এই বিদ্রোহকে অনেকে আমেরিকার উস্কানির ফল বলে দাবি করেছে। সংবাদমাধ্যমের একাংশে প্রকাশ, এখনও পর্যন্ত ইরানে ২০০-রও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যদিও সেই দেশের সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
প্রসঙ্গত, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ক্রমাগত সতর্ক করে আসছেন। শনিবার, ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ইরান স্বাধীনতার দিকে এগোচ্ছে। ইরানের সরকার যেন, বিক্ষোভকারীদের উপর বলপ্রয়োগ না করে। তবে আমেরিকার কথায় কর্ণপাত না করে নিজেদের দেশে ইন্টারনেট প্রায় সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিয়েছে ইরান সরকার। তা সত্ত্বেও, তেহরানের বিভিন্ন এলাকার বিক্ষোভের খবর সামনে আসছে।
সেই দেশের সরকারের অভিযোগ, ইরানের একাধিক মসজিদে আগুন দেওয়া হয়েছে। আমেরিকার প্ররোচনায় এটা করছে বিক্ষোভকারীদের একটা অংশ।