Homuz Crisis: 'পিকচার অভি বাকি হ্যায়,' বলিউডি ডায়লগ ইরানের, দেখাল মিসাইল

'Abhi toh sirf trailer hai, picture abhi baaki hai' টুইট করল মুম্বইয়ে ইরানের কনস্যুলেট। হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকার নৌ অবরোধের জেরে উত্তেজনা চরমে। তার মাঝেই বলিউড স্টাইলে কড়া বার্তা দিল তেহরান।

Advertisement
'পিকচার অভি বাকি হ্যায়,' বলিউডি ডায়লগ ইরানের, দেখাল মিসাইলবলিউড স্টাইলে কড়া বার্তা দিল তেহরান।
হাইলাইটস
  • 'Abhi toh sirf trailer hai, picture abhi baaki hai' এক্স পোস্ট করল মুম্বইয়ে ইরানের কনস্যুলেট।
  • হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকার নৌ অবরোধের জেরে উত্তেজনা চরমে।
  • বলিউড স্টাইলে কড়া বার্তা দিল তেহরান।

ইরানের মুখে শাহরুখ খানের ডায়লগ। 'Abhi toh sirf trailer hai, picture abhi baaki hai' এক্স পোস্ট করল মুম্বইয়ে ইরানের কনস্যুলেট। হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকার নৌ অবরোধের জেরে উত্তেজনা চরমে। তার মাঝেই বলিউড স্টাইলে কড়া বার্তা দিল তেহরান। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পোস্টকে কেন্দ্র করে এখন চর্চা তুঙ্গে।

মঙ্গলবার মুম্বইয়ে ইরানের কনস্যুলেট সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে। সেখানে দেশের নৌবাহিনীর শক্তি, বিশেষ করে দ্রুতগামী মিসাইল বোটের ক্ষমতা তুলে ধরা হয়। সেই ভিডিওর সঙ্গে বিখ্যাত বলিউড সংলাপ ব্যবহার করা হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, এর মাধ্যমে এই ইঙ্গিতই দেওয়া হচ্ছে যে, পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। ইরান যে পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত, সেই বার্তাই যেন দেওয়া হচ্ছে। 

হরমুজ প্রণালীতে ইরানের বন্দরগুলিকে লক্ষ্য করে নৌ অবরোধ জারি করেছে ওয়াশিংটন। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহণ হয়। ফলে এখানে কোনও রকম অচলাবস্থা তৈরি হলে তার প্রভাব পড়ে গোটা বিশ্ব অর্থনীতিতে।

এর আগে ইসলামাবাদে আমেরিকা-ইরান শান্তি বৈঠক হয়েছিল। তবে তা ভেস্তে যায়। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, কোনও ইরানি জাহাজ যদি অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করে, তা হলে তা ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, ইরানও চুপ করে নেই। সে দেশের সংসদের স্পিকার Mohammad Bagher Qalibaf জানিয়েছেন, 'যুদ্ধ চাইলে আমরা প্রস্তুত।' অর্থাৎ, পাল্টা আঘাতের বার্তা দিয়ে রেখেছে তেহরান।

ইরানের দাবি, পারস্য উপসাগরে তাদের দ্রুতগতির মিসাইল বোট বা 'রেড বীজ' অত্যন্ত শক্তিশালী। প্রয়োজনে একযোগে হামলা চালিয়ে শত্রুকে চাপে ফেলতে পারে এই নৌবাহিনী। যদিও আমেরিকার দাবি, ইরানের নৌবাহিনী আগেই দুর্বল হয়ে পড়েছে, তবে বাস্তবে পরিস্থিতি ঠিক কেমন, তা নিয়েই এখন জল্পনা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক বাজারে। ইতিমধ্যেই তেলের দাম বেড়েছে। জ্বালানির দাম বাড়লে তার প্রভাব পড়ে খাদ্য থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের উপরেও। ফলে সাধারণ মানুষের উপর বাড়ছে আর্থিক চাপ।

Advertisement

তবে এখনও সরাসরি সংঘর্ষ হয়নি। দুই দেশই আপাতত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সাময়িক যুদ্ধবিরতি বজায় থাকলেও উত্তেজনা কমেনি। বরং প্রতিদিন নতুন নতুন বার্তা ও পাল্টা বার্তায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

সব মিলিয়ে, হরমুজ প্রণালী এখন বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। আমেরিকার অবরোধ ও ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি; এই দুইয়ের টানাপোড়েনে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার।

POST A COMMENT
Advertisement