Mojtaba Khamenei: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই পুত্র মোজতবা, সেনার সমর্থনেই গদি দখল

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের এয়ারস্ট্রাইকে মৃত্যু হয়েছে। আর খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরই তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেইকে দেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। তিনিই এখন থেকে ইরান চালাবেন।

Advertisement
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই পুত্র মোজতবা, সেনার সমর্থনেই গদি দখল মোজতবা খামেনেই
হাইলাইটস
  • ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের এয়ারস্ট্রাইকে মৃত্যু হয়েছে
  • মোজতবা খামেনেইকে দেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে
  • তিনিই এখন থেকে ইরান চালাবেন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের এয়ারস্ট্রাইকে মৃত্যু হয়েছে। আর খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরই তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেইকে দেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। তিনিই এখন থেকে ইরান চালাবেন।

সেই দেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তরফে জানান হয়েছে যে ২৮ ফেব্রুয়ারি একটি এয়ারস্ট্রাইকে তেহরানে ৮৬ বছর বয়সি খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি দেশের উপর যে ক্রমাগত আক্রমণ চলছে, সেটাও স্বীকার করা হয়েছে। বিশেষত, ইরানের সমস্ত সরকারি জায়গাতেই এই আক্রমণ চলেছে বলে খবর। 

প্রসঙ্গত, খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ৪০ দিনে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে ইরান। পাশাপাশি ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে গোটা দেশের নিরাপত্তাও এই সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দেশের সব বড় শহরে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। সরকারি বিল্ডিংয়ের বাইরেও সিকিউরিটি জোরদার করা হয়েছে।

মোজতবা খামেনেই কে? 
১৯৬৯ সালে জন্ম মোজতবা খামেনেইয়ের। তিনি মাশাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত। তিনি রেভোলিউশনারি গার্ড হিসেবেও কাজ করেছেন। ইরান এবং ইরাক যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে তিনি এই দায়িত্ব সামলান। যতদূর খবর, তিনি খামেনেইয়ের খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন। যে কোনও বড় সিদ্ধান্তের পিছনে তিনি বাবাকে সাহায্য করতেন। এছাড়া তিনি সরকারি বড় পদে ছিলেন। তাঁর প্যারামিলিটারি এবং মিলিটারি ফোর্সের সঙ্গেও ভাল সম্পর্ক রয়েছে। তাই সেনা সমর্থন তাঁর দিকেই রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

২০০৯ সাল থেকে শিরোনামে মোজতবা খামেনেই
২০০৯ সালের আন্দোলনের সময় থেকেই তাঁর নাম সামনে এসেছে বলে জানা যাচ্ছে। তিনি সেই সময় প্রতিবাদ দমনে বিরাট ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে খবর। 

আর সেই তিনিই এখন বসে গেলেন ইরানের প্রধানের গদিতে। সূত্রের মতে, দেশের সেনা মোজতবার পাশেই রয়েছে। এখন দেখার তিনি নিজের দেশকে ঠিক কোন পথে নিয়ে যান। তিনি আসার পর আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সম্পর্কের উন্নতি হয় নাকি, পরিস্থিতি আরও খারাপ দিকে যায়।

Advertisement

কী বলেন ট্রাম্প?
খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর বড় দাবি করছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে জানান, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ খামেনেইয়ের মৃত্যুর বিষয়টি কনফার্ম করেছেন। তাঁর দাবি, ইজরায়েলের সহযোগিতায় পরিচালিত অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট অভিযানের কারণে খামেনেই এবং তার সঙ্গে থাকা অন্য নেতারা পালাতে পারেননি। 

 

POST A COMMENT
Advertisement