Mojtaba Khamenei Face Burned: পুড়েছে মুখ, আড়ালেই গুরুতর আহত ইরানের শীর্ষ নেতা মোজতবা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলি খামেনেইয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিলই। তিনি মারা গিয়েছেন বলেও খবর রটেছিল। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেরই প্রশ্ন, কেমন আছেন মোজতবা? এখন খবর মিলছে তিনি বেঁচে আছেন। তিনি সচেতন এবং সক্রিয়। কিন্তু তিনি বেশিরভাগ সময় আড়ালে থাকছেন। যোগযোগ করছেন গোপনে। 

Advertisement
পুড়েছে মুখ, আড়ালেই গুরুতর আহত ইরানের শীর্ষ নেতা মোজতবামোজতবা খামেনেইয়ের মুখ পুড়েছে
হাইলাইটস
  • ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলি খামেনেইয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিলই
  • তিনি মারা গিয়েছেন বলেও খবর রটেছিল
  • এখন খবর মিলছে তিনি বেঁচে আছেন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলি খামেনেইয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিলই। তিনি মারা গিয়েছেন বলেও খবর রটেছিল। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেরই প্রশ্ন, কেমন আছেন মোজতবা? এখন খবর মিলছে তিনি বেঁচে আছেন। তিনি সচেতন এবং সক্রিয়। কিন্তু তিনি বেশিরভাগ সময় আড়ালে থাকছেন। যোগযোগ করছেন গোপনে। 

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের একটি বিস্তারিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোজতবা খামেনেই তাঁর পিতার মৃত্যুর পর দায়িত্ব নেন। তিনি এখন গুরুতরভাবে আহত। তিনি লুকিয়ে রয়েছেন। তিনি খুব কম যোগাযোগের মাধ্যমে কাজ করছেন।

'যদিও খামেনেই গুরুতরভাবে আহত। তবে তিনি মানসিকভাবে তীক্ষ্ণ ও সক্রিয় রয়েছেন,' তাঁর শারীরিক অবস্থার সঙ্গে পরিচিত চারজন সিনিয়র ইরানি আধিকারিক সংবাদপত্রটিকে জানিয়েছেন।

তবে শরীর ভাল নেই মোজতবার। তাঁর একটি পায়ে তিনবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। এমনকী তাঁর পায়ে কৃত্রিমভাবে লাগানো হতে পারে পা। সেই সঙ্গে তাঁর একটি হাতেও অস্ত্রোপচার হয়েছে। তিনি ধীরে ধীরে কার্যক্ষমতা ফিরে পাচ্ছেন। 

সেই সঙ্গে তাঁর মুখ ও ঠোঁট গুরুতরভাবে পুড়ে গিয়েছে। যার ফলে তাঁর কথা বলতে সমস্যা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানান হয়েছে। ভবিষ্যতে তাঁর প্লাস্টিক সার্জারি প্রয়োজন হবে। 

মাথায় রাখতে হবে, নেতৃত্ব গ্রহণের পর থেকে খামেনেই জনসমক্ষে উপস্থিত হননি। তিনি কোনও বার্তাও দেননি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি একটি সচেতন সিদ্ধান্ত। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি 'দুর্বল বা অসহায়' হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করতে চান না।

তাই তিনি অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। 'তাঁর বার্তা হাতে লেখা হয়, খামে সিল করা হয় এবং গাড়ি ও মোটরসাইকেলের মাধ্যমে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়,' এমনটাই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ঠিক একইভাবে তাঁর উত্তর আসবে।

এমনকী শীর্ষ কর্মকর্তারাও তাঁর থেকে দূরত্ব বজায় রাখছেন। 'সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান না, কারণ তাঁরা আশঙ্কা করেন যে ইজরায়েল তাঁদের ট্র্যাক করে তাঁকে খুঁজে বের করে হত্যা করতে পারে,' প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement