কেসি ১৩৫ ক্র্যাশইরাকে ক্র্যাশ করল আমেরিকার রিফিউলিং বিমান। এ কথা জানিয়েছে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড। তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধের মধ্যেই ভেঙে পড়েছে একটি কেসি ১৩৫ বিমান। এটি ইরানে ক্র্যাশ করেছে। এই বিমানে ৫ জন ক্রু মেম্বার ছিলেন।
একটি বিবৃতিতে সেনার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, একসঙ্গে দু'টি বিমান সফর করছিল। একটি নিরাপদভাবেই ল্যান্ডিং করেছে। তবে অপর বিমানটি করেছে ক্র্যাশ। তাতে ৫ জন ক্রু মেম্বার ছিলেন। যদিও সেনার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, কোনও শত্রুর আক্রমণে বিমানটি ক্র্য়াশ করেনি।
ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে উদ্ধার কাজ। পাশাপাশি চলছে তদন্ত। খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কেন এই দুর্ঘটনা ঘটল।
সেনার পক্ষ থেকে জানান হয়, অপারেশন এপিক ফিউরি চলছিল। সেই সময়ই বিপত্তি ঘটে। বিমানটি ভেঙে পড়ে। এরপরই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়ে যায় উদ্ধারকাজ। পাশাপাশি তদন্ত শুরু করে দেয় সেনা।
এই প্রসঙ্গে বলে রাখি, কেসি ১৩৫ বিমানটি আমেরিকার এয়ারফোর্সের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি রিফিউলিং বিমান। অর্থাৎ এই বিমানটির মাধ্যমে অন্যান্য ফাইটার জেটে মাঝ আকাশেই জ্বালানি ভরা যায়।
মাথায় রাখতে হবে যে ইরানের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে আমেরিকা। চলছে নিয়মিত অপারেশন। এমন পরিস্থিতিতে প্রচুর সংখ্যক বিমান তারা মজুত করেছে তারা। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সেই সব বিমানে সওয়ার হয়েই চলছে অপারেশন। আর যুদ্ধবিমানকে আকাশপথে রিফিউলিং করার জন্য প্রয়োজন হয় কেসি ১৩৫ বিমানটি। তাই এটা আমেরিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই বিমানটিই হঠাৎ করে ভেঙে পড়ল।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, ইতিমধ্যে এই যুদ্ধের জন্য অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। তার উপর আবার এই দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানে ছিলেন ৫ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এখানেই শেষ নয়, এই যুদ্ধে আমেরিকার ১৫০ জন সেনাও আহত। আর সেই সংখ্যাও আগামিদিনে বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবু যুদ্ধ থামার নাম নেই। এখন দেখা যাক পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়।