মেয়ে-নাতি সহ মৃত্যু খামেনেইয়েরমধ্যপ্রাচ্য় থেকে বড় খবর। ইরানে সরাসরি হামলার হামলার প্রথম দিনেই বড় সাফল্য পেল আমেরিকা। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার পরেই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছিলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দাবি করেন, ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ব্যক্তিদের একজন আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়েছে। তবে ভারতীয় সময় অনুযায়ী, রবিবার সকাল ৭টা পর্যন্ত এই খবরে স্বীকৃতি দেয়নি ইরান। অবশেষে সকাল ৭টা ২০ নাগাদ ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থায় খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর জানানো হয়।
জানা গিয়েছে, হামলার সময় খামেনেই তাঁর অফিসে ছিলেন। গোয়েন্দা মারফত নিশ্চিত খবর পেয়ে ওই অফিস-সহ গোটা ভবনেই হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরান জুড়ে ৪০ দিনের শোক ঘোষণাও করা হয়েছে।
ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। IRGC-এর তরফে এই মৃত্যুকে 'শহিদ' হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
তবে শুধুমাত্র আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই নন, ইরানিয়ান স্টেট মিডিয়া সূত্রে দাবি করা হয়েছে ইজরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় তাঁর মেয়ে ও নাতিরও মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই এয়ার স্ট্রাইকে ৮৬ বছর বয়সী ধর্মগুরুর জামাই ও পুত্রবধূরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের সংবাদ মাধ্যম।
উল্লেখ্য, ইরানি সংবাদমাধ্যমের আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে জানিয়ে দিয়েছিলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ খামেনেইয়ের মৃত্যুর বিষয়টি কনফার্ম করেছেন। ট্রাম্পের দাবি, ইজরায়েলের সহযোগিতায় পরিচালিত অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট অভিযানের কারণে খামেনেই এবং তার সঙ্গে থাকা অন্য নেতারা পালাতে পারেননি। পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সামরিক অভিযানে ইরানের ডিফেন্স সিস্টেমের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
নিজের পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, আয়াতোল্লাহ খামেনেই ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ব্যক্তিদের একজন। তিনি ইরানি জনগণকে রাস্তায় নেমে নিজেদের দেশ ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বানও জানান।