ইরান যুদ্ধ বিরতিমধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে। ইরানে আক্রমণ চালাচ্ছে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। আর যতদূর জানা যাচ্ছে, এই যুদ্ধ থামানোর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছেন ট্রাম্প। তিনি সেই মর্মে কিছু শর্ত রেখেছেন। যদিও ইরানের পক্ষ থেকেও পাল্টা কিছু শর্ত চাপান হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে খবর, ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যেই পরোক্ষভাবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতির জন্য কথা শুরু করেছে। জারেদ কুশনের এবং স্টিভ উইটকফের মধ্যেই এই বিষয়টা নিয়ে প্রাথমিকভাবে চলছে আলোচনা।
যদিও সরাসরি কোনও কথা হচ্ছে না দুইপক্ষের মধ্যে। ব্রিটেন, মিশর এবং কাতার মধ্যস্ততাকারী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও মনে করা হচ্ছে, খুব তাড়াতাড়ি সমস্যা মিটবে না। এই পরিস্থিতি আরও ৩ সপ্তাহ চলতে পারে।
আমেরিকা কী শর্ত দিল?
এই যুদ্ধ শেষ করার জন্য একাধিক শর্ত রেখেছে আমেরিকা। তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে ইরান নিজের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ৫ বছরের জন্য বন্ধ করে দেবে। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ বা এনরিচমেন্ট ধীরে ধীরে কমিয়ে শূন্যতে আনতে হবে। পাশাপাশি বন্ধ করে দিতে হবে বড় বড় সব পরমাণু কেন্দ্র। শুধু তাই নয়, আমেরিকা দাবি করেছে ইরান যেন রিজিওনাল মিসাইলে লিমিট আনে। এমনকী হিজবুল্লা, হাউথি ও হামাসকে যাতে সাহায্য না করে, সেটাও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে তেহরানকে।
যদিও ইরান ইতিমধ্যেই এই সব ডিমান্ড রিজেক্ট করে দিয়েছে। পাল্টা শর্ত দিয়েছে তারা। তাদের মতে, আমেরিকাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তাহলেই কথা এগতে পারে। আর সেখানেই যত জটিলতার সূত্রপাত।
কী কী জটিলতা তৈরি হতে পারে?
এই যুদ্ধ থামাতে চাইলে এখনও অনেকটা পথ হাঁটতে হবে। কোন দেশ আগে এগিয়ে এসে যুদ্ধ বিরতির জন্য হাত বাড়িয়ে দেয়, সেটাই এখন দেখার।
বর্তমানে আমেরিকা কাতারের সাহায্যে মধ্যস্ততা করার পক্ষপাতি। যদিও এখনও কথা খুব একটা এগয়নি। তাই এই মুহূর্তেই যে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে না, সেটা একবারে পরিষ্কার।
ভারতেরও সমস্যা
মাথায় রাখতে হবে যে ইরান যুদ্ধের ফলে বন্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালী। তাই ভারতেও তেল এবং গ্যাস নিয়ে সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এগুলির দাম বাড়তে শুরু করেছে। আর আশঙ্কা করা হচ্ছে যদি খুব শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়, তাহলে বিপদ আরও বাড়বে। আর সেই কারণেই যুদ্ধ বিরতির দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভারত।