খামেনেইকে হত্যার পর করাচিতে মার্কিন দূতাবাসে হামলা, আমেরিকান সেনার গুলিতে নিহত ১২ পাকিস্তানি

ফের একবার অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ এয়ার স্ট্রাইকে কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে ইরান। ইতিমধ্যেই তাদের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-এর মৃত্যু ঘটেছে।

Advertisement
করাচিতে মার্কিন দূতাবাসে হামলা, আমেরিকান সেনার গুলিতে নিহত ১২ পাকিস্তানিআমেরিকা সেনার গুলিতে নিহত ৮ পাকিস্তানি
হাইলাইটস
  • যৌথ এয়ার স্ট্রাইকে কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে ইরান।
  • এবার সেই ঘটনার রেশ লাগল পাকিস্তানেও।
  • গুলিতে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৮ জন পাকিস্তানি নাগরিকের।

ফের একবার অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ এয়ার স্ট্রাইকে কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে ইরান। ইতিমধ্যেই তাদের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-এর মৃত্যু ঘটেছে। ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থার তরফে এই খবর নিশ্চিত করেছে। এবার সেই ঘটনার রেশ লাগল পাকিস্তানেও।

খামেনেই-এর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন দূতাবাসে হামলা করে কিছু 'উন্মত্ত' পাকজনতা। অভিযোগ, বহু সংখ্যক পাক জনতা লাঠি ও পাথর নিয়ে দূতাবাসে হামলা করে। পুলিশ ও মার্কিন নিরাপত্তা রক্ষীরা তাঁদের বাধা দিতে শুরু করলে রীতিমতো সংঘর্ষ বেঁধে যায়।  পাকিস্তানের SAMAA TV-র তরফে দাবি করা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে মার্কিন নিরাপত্তা রক্ষীরা। সেই গুলিতে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১০ জন পাকিস্তানি নাগরিকের। পাশাপাশি জখম আরও ৩০ জন। গুলি চালানোর ঘটনায় পাকিস্তানে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, এদিন বেশ কয়েকটি শিয়া গোষ্ঠীর তরফে মার্কিন দূতাবাসের কাছে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই এই প্রতিবাচ কর্মসূচি হিংসাত্মক রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীরা সুলতানাবাদ থেকে মাই কোলাচির দিকে মিছিল করে।  বিপুল সংখ্যক লোকেরা ভিড় করে এমটি খান রোড ও আশেপাশের মোড় সহ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এই সময় কনস্যুলেট চত্বরে ঢোকার চেষ্টা করা হলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পুলিশ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। কিন্তু তাতেও কাজ না হওয়ায় গুলি চালানো হয় বলে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।

গোটা করাচি জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে

উল্লেখ্য, এদিন শুরুতেই খামেনেই-এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশের জন্য করাচির মসজিদ ও ইমামবাড়ায় জড়ো হয়েছিলেন পাকিস্তানের বহু মানুষ। কিন্তু এরপরেই আন্দোলন হিংসাত্মক হয়ে পড়লে পুলিশ একাধিক রাস্তা বন্ধ করে দেয়। কমপক্ষে শহরের তিন-চারটি রাস্তা জনতার চাপে বন্ধ করতে বাধ্য় হয় পাক পুলিশ।

Advertisement

ইরানে ঠিক কী হয়েছে?

শনিবার ইরানের উপর আক্রমণ করে ইজরায়েল ও আমেরিকা। দুই দেশের যৌথ এয়ার স্ট্রাইকে ইরানে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। এমনকি সপরিবারে মৃত্যু হয় সর্বোচ্চ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-এরও। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই বিশ্বজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে অশান্তি ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement