scorecardresearch
 

যৌন সম্পর্ক করতে অন্য মহিলাকে বাড়িতে আনল স্বামী, দেখে স্ত্রী যা করল...

বিখ্যাত মডেল স্বীকার করেছেন যে তাঁর স্বামী অন্য মহিলাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন, তাই তিনি তাঁকে হত্যা করেছিলেন। অভিযোগ, স্বামীকে বেশ কয়েকবার ছুরিকাঘাত করেন মডেল। এই মহিলার নাম লিলিয়া সুদাকোভা। তিনি রাশিয়ান ভোগ ম্যাগাজিন এবং ইতালি এবং অন্যান্য দেশের অনেক ম্যাগাজিনের কভার পেজের জন্য ফোটোশ্যুট করেছেন।

অভিযুক্ত সেই মডেল অভিযুক্ত সেই মডেল
হাইলাইটস
  • যৌন সম্পর্ক করতে অন্য মহিলাকে বাড়িতে আনল স্বামী
  • দেখে স্ত্রী যা করল
  • জানুন বিস্তারিত তথ্য

রাশিয়ার বাসিন্দা এক বিখ্যাত মডেল স্বীকার করেছেন যে তাঁর স্বামী অন্য মহিলাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন, তাই তিনি তাঁকে হত্যা করেছিলেন। অভিযোগ, স্বামীকে বেশ কয়েকবার ছুরিকাঘাত করেন মডেল। এই মহিলার নাম লিলিয়া সুদাকোভা। তিনি রাশিয়ান ভোগ ম্যাগাজিন এবং ইতালি এবং অন্যান্য দেশের অনেক ম্যাগাজিনের কভার পেজের জন্য ফোটোশ্যুট করেছেন।

ঠিক কী অভিযোগ

ওই মহিলা, স্বীকার করেছেন যে তাঁর ২৮ বছর বয়সী স্বামী সের্গেই পপভ অন্য একজন মহিলাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। এরপর স্বামীকে খুন করেন তিনি। মামলাটি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের। আদালতে লিলিয়ার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগও চাপিয়েছে সে দেশের সরকার। এরপর তাকে ১৫ বছরের জেল হতে পারে। ডেইলি স্টারের খবরে বলা হয়েছে, অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন মডেল লিলিয়া। লিলিয়া বলেছেন যে তিনি তাঁর স্বামীর সাথে যৌন সম্পর্ক করতে অস্বীকার করেছিলেন। এরপর স্বামী অন্য আরেক মহিলাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। লিলিয়া জানান, তাঁর স্বামীও তাঁকে মারধর করতেন। আত্মরক্ষার্থে সে তাঁর স্বামীকে হত্যা করেছে।

পুলিশকে কী জানিয়েছিল লিলিয়া

লিলিয়া পুলিশকে জানিয়েছেন, 'স্বামী যখন বাড়িতে আসেন, তখন তিনি মদ্যপ ছিলেন। তার সঙ্গে একটি মেয়েও ছিল। আমি বুঝতে পারলাম সে আমাকে কি দেখাতে চায়। লিলিয়া জানায় যে মেয়েটিকে এনে সে দেখিয়ে দিয়েছে, সে অন্য কারো সঙ্গে  সেক্স করতে পারে। সে আগের দিন আমার সাথে সেক্স করতে চেয়েছিল।

কীভাবে হল এই ঘটনা

লিলিয়া জানান, মেয়েটিকে নিয়ে আসার সময় তিনি রান্নাঘরে যান, রান্নাঘরে যাওয়ার আগে বাড়িতে আসা মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করেন সে কিছু খাবেন কিনা। তখন তাঁর স্বামী বলল তাঁরও কিছু খেতে হবে। লিলিয়া জানান, ঘটনার দিন তিনি ছুরি দিয়ে টমেটো কাটছিলেন। এরপর স্বামীকে ছুরি দিয়ে আক্রমণ করে। এ সময় তার সোসাইটিতে বসবাসকারী এক বন্ধুও বাঁচানোর চেষ্টা করেন। এরপর আবারও হামলা চালালে ধাক্কা দিতে গেলে ছুরি স্বামীর বুকে লাগে। রক্ত দেখে লিলিয়া বলল, আমার হাতে ছুরি। তখন আমি ভয় পেয়ে গেলাম। এর পরে আমি একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকেছিলাম। এ সময় তিনি তার স্বামীর কাছে ক্ষমাও চেয়েছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আদালতে শুনানি চলাকালে সরকার জানায়, সে ইচ্ছাকৃতভাবে তার স্বামীকে ছুরিকাঘাত করেছে। তার উদ্দেশ্য ছিল ছুরি মেরে ফেলা। লিলিয়া বর্তমানে গৃহবন্দী। আট মাস ধরে তাদের বিচার চলছে।