scorecardresearch
 
 

Modi-Biden Meet: মুম্বইয়ে এসে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন বাইডেন!

হোয়াইট হাউসে বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনার মাঝে নিজের মুম্বই সফরের কথা স্মরণ করে হাসি-ঠাট্টায় মোদীর সঙ্গে সামিল হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বাইডেন জানান, সে সময় মুম্বইয়ে এসে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন তিনি।

বাইডেন জানান, সে সময় মুম্বইয়ে এসে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন তিনি। বাইডেন জানান, সে সময় মুম্বইয়ে এসে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন তিনি।
হাইলাইটস
  • হোয়াইট হাউসে চলা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে আজ নজর ছিল গোটা বিশ্বের।
  • তবে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনার মাঝে নিজের মুম্বই সফরের কথা স্মরণ করে হাসি-ঠাট্টায় মোদীর সঙ্গে সামিল হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
  • বাইডেন জানান, সে সময় মুম্বইয়ে এসে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন তিনি।

আমেরিকার রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর আজ প্রথমবার জো বাইডেন-প্রধানমন্ত্রী মোদীর মুখোমুখি সাক্ষাত হল। করোনা মহামারী, সন্ত্রাসবাদ ও কোয়াড-সহ একাধিক বিষয়ে ওভাল অফিসে প্রায় ঘণ্টাখানেক আলোচনা করেন এই দুই রাষ্ট্রপ্রধান।

হোয়াইট হাউসে চলা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে আজ নজর ছিল গোটা বিশ্বের। তবে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনার মাঝে নিজের মুম্বই সফরের কথা স্মরণ করে হাসি-ঠাট্টায় মোদীর সঙ্গে সামিল হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

বাইডেন জানান, সে সময় মুম্বইয়ে এসে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন তিনি। পরে তিনি জানতে পারেন, ভারতে বাইডেন পদবির অনেকেই বসবাস করেন। এমনই নানা ছোট ছোট ঘটনা মনে করে আলাপচারিতায় মাতেন দুই রাষ্ট্রনেতা।

জো বাইডেন এই বৈঠকের সময় বলেন যে, “আমি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বাস করি যে, ভারত-মার্কিন সম্পর্ক বিশ্বের অনেক সমস্যার সমাধানে সাহায্য করতে পারে। ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রিক শক্তি হতে পারে।” 

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদীও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। সেই সময়ের সাক্ষাতের কথা স্মরণ করে মোদী বাইডেনের প্রশংসা করে বলেন, “আমি ২০১৫, ২০১৬ সালে আপনার সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলার সুযোগ পেয়েছিলাম। ভারত-মার্কিন সম্পর্কের জন্য আপনার দৃষ্টিভঙ্গি সত্যিই অনুপ্রেরণামূলক!”