
ওজোন স্তর পৃথিবীকে চাদরের মতো রক্ষা করে (ফাইল ছবি/ইন্ডিয়া টুডে)Ozone Layer Hole: ওজোন স্তর (Ozone Layer) নিয়ে আশঙ্কার কথা জানা গেল। ওজোন স্তর রক্ষার জন্য মাসখানেক হল বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। মন্ট্রিল প্রোটোকলের ওপর আরও জোর দেওয়া হয়েছিল। জানা গিয়েছে, ওজোন স্তরের ফুটোর আকার অ্য়ান্টার্কটিকার থেকে বড় হয়েছে।
১ ডিগ্রি সেলসিয়ায় কম
পৃথিবীর উষ্ণতা ১ ডিগ্রি কম রাখার জন্য ওজোন স্তর (Ozone Layer) সুরক্ষিত রাখার উদ্যেগ নেওয়া হয়। এরই মাঝে জানা গেল ওই খবর। গত সপ্তাহে ওজোন স্তর (Ozone Layer)-এর ফুটো বেড়ছে। ১৯৭৯ সালের তুলনায় সেটি ৭৫ শতাংশ বেড়েছে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের।
অন্য সময়ের থেকে বড়
কোপার্নিকাস অ্যাটমোস্ফিয়ার মনিটারিং সার্ভিস (Copernicus Atmosphere Monitoring Service)-এর গবেষকরা নতুন কিছু জিনিস খুঁজে পেয়েছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওই ফুটো আগের থেকে বড়সড়। তাঁরা আরও জানাচ্ছেন, ২০২০ সালের মতো বড় ফুটো ধরা পড়েছে।
হিসেব মতো
এ ব্যাপারে কোপারনিকাস অ্যাটমোস্ফিয়ার মনিটারিং সার্ভিস (Copernicus Atmosphere Monitoring Service)-এর অধিকর্তা ভিনসেন্ট-হেনরি পেউচ জানান, মরশুমের শুরুতে ওজোন স্তর (Ozone Layer)-এর ফুটো যতটা বড় হবে বলে মনে করা হয়েছিল, তা-ই হয়েছে। এটা অনেকটা গত বছরের মতো। যার কথা সেপ্টেম্বরেও ধরা যায়নি।
তবে এখন দেখা যাচ্ছে, সেটা সবথেকে বড়সড় একটা। তবে ঘূর্ণি বেশ স্থিতিশীল। এবং স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের তাপমাত্রা গত বছরের থেকে কম। আমদের মনে হচ্ছে, আরও বড় এবং গভীর ফুটো দেখা যেতে পারে।

বসন্ত কালে
বসন্ত কালে মানে অগাস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত দক্ষিণ গোলার্ধে আন্টার্কটিকার ওপরে ওজোন স্তরের ফুটো লক্ষ করা যায়। সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে সবথেকে বড় আকার নেয়।
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে যখন তাপমাত্রা বেশি থাকে, তখন দক্ষিণ গোলার্ধে তখন ওজোনের পরিমাণ কমে যায়। মেরু অঞ্চলের ঘূর্ণি কমে যায়। এবং শেষ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ডিসেম্বর নাগাদ ওজোনের মাত্রা আগের অবস্থায় ফিরে আসে।
মানুষের কারণে
বিজ্ঞানীরা আর আগে বার বার এ ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। মানুষের কারণে এবং গ্রিনহাউজ গ্য়াসের জন্য ওজোন স্তরের ক্ষতি হচ্ছে।
এর গুরুত্ব কোথায়?
দেখে নেওয়া যায়, ওজোন স্তর (Ozone Layer)-র গুরুত্ব কোথায়। অতিবেগুনি রশ্মি বা আল্ট্রাভায়োললেট রে থেকে এটি পৃথিবীকে রক্ষা করে। মানে আমাদের রক্ষা করে। সেগুলো আসে সূর্য থেকে। তবে ওই স্তরে ফুটো দেখার পর সবাই নড়েচড়ে বসেন।
১৯৮৫ সাল নাগাদ দেখা যায় সেখানে ফুটো তৈরি হয়েছে। ওজোনের ক্ষতি করে এমন রাসায়নিক এবং গ্রিনহাউজ গ্যাস যার মধ্যে ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (সিএফসি বা CFC)-ও রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় এগুলি ব্যবহার করা হয়।