ফের প্রশ্নের মুখে সেদেশের ভাবমূর্তি। পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয়।Pahalgam attack news: 'পহেলগাঁও হামলার পরই বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের গুরুত্ব বেড়েছে'। এমনই দাবি করল জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার (Lashkar-e-Taiba) এক শীর্ষ নেতা। আবু মুসা কাশ্মীরি নামে ওই জঙ্গি নেতার মন্তব্যে ফের প্রকাশ্যে পাকিস্তানের মানসিকতা। ফের প্রশ্নের মুখে সেদেশের ভাবমূর্তি। পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয়। ঘৃণ্য ঘটনায় শোকাচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিল গোটা দেশ। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিরাই যে এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তা শুরু থেকেই স্পষ্ট ছিল। এবার সেই অভিযোগেই যেন সিলমোহর দিল এই চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি।
জঙ্গি নেতার দাবি, এই হামলার পরেই পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক বিষয়ে আলাপ-আলোচনায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এমনকি এর জন্যই নাকি আমেরিকা (United States) এবং ইরানের (Iran) আলোচনায় মধ্যস্থতার সুযোগ পেয়েছে ইসলামাবাদ। অর্থাৎ, যে হামলায় নিরীহ মানুষের প্রাণ গিয়েছে, সেটাকেই 'কূটনৈতিক সাফল্য' হিসেবে দেখছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিনেতা।
বর্তমানে ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছে। এই বৈঠককে আন্তর্জাতিক মহলে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। কিন্তু এমন সময় জঙ্গি নেতার এই বক্তব্যে তাদের উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একদিকে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মঞ্চে শান্তি ও স্থিতিশীলতার কথা বলছে। অন্যদিকে তাদেরই মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনের এমন দাবি। এতে যে তাদের অবস্থান ঘিরে সন্দেহের উদ্রেক হবে, তা বলাই বাহুল্য। ইসলামাবাদের দ্বিচারিতা অভিযোগ তুলছেন বিশ্লেষকরা।
পহেলগাঁও হামলা নিয়ে এই স্বীকারোক্তি যে ভারত-পাক সম্পর্কেই আরও খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে, তা বলাই বাহুল্য। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও পাকিস্তানের ভাবমূর্তি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে পারে।