পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে। আর ইতিমধ্যেই পাক সেনাকে নাকানিচোবুানি খাওয়াতে শুরু করে দিয়েছে আফগানিস্তান। তাদের পক্ষ থেকে ডুরান্ড লাইন বরাবর দু'টি পাকিস্তানি পোস্ট দখল করে নেওয়া হয়েছে, এমনই খবর সামনে এসেছে।
টোলো নিউজের একটি রিপোর্ট জানাচ্ছে, ইসলামিক এমিরেট অব আফগানিস্তানের সেনারা কান্ধার প্রান্তে স্পিন বোল্ডাক এবং শেরাবক জেলায় কাল্পনিক ডুরান্ড লাইন বরাবর পাকিস্তানের মিলিটারি পোস্ট দখল করে নিয়েছে।
মাথায় রাখতে হবে যে পাকিস্তানের উপর বেশ কিছুদিন ধরেই আক্রমণ চালাচ্ছে আফগানিস্তান। তাদের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির নুর খান এয়ারবেসের কম্যান্ড এবং কন্ট্রোল সেন্টার লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে। আর এই ঘটনার পর উত্তেজনার পারদ আরও চড়েছে। কারণ, এই নুর খান এয়ার বেস সেই জায়গা, যেখানে ভারতও অপারেশন সিঁদুরের সময় হামলা চালায়।
সেই হামলা চলেছিল ২০২৫ সালের মে মাসে। তারপর থেকে সেই বিমানঘাঁটিতে চলছিল কাজ। আর সেখানেই আবার হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তান। যার ফলে ওই বেসের আরও ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর মিলেছে।
এই প্রসঙ্গে আফগানিস্তানের ন্যাশনাল ডিফেন্স মিনিস্ট্রির অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট একটি বড় দাবি করেছে। তাদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে যে তালিবান সেনারা পাকিস্তানে কুয়েতার ১২ ডিভিশনের সদর দফতর এবং খাইবার পাখতুনখাওয়ায় মিলিটারি লোকেশনে হামলা চালিয়েছে।
তারা জানায়, 'আজ দ্য ন্যাশনাল ডিফেন্স এর এয়ারফোর্স একটি সুর্নিদিষ্ট আক্রমণ চালিয়েছে পাকিস্তানের উপর। এক্ষেত্রে রাওয়ালপিন্ডির নুর খান এয়ারবেস, কুয়েতার ১২ ডিভিশনের হেডকোয়ার্টার (বালোচিস্তান), মহম্মদ এজেন্সির খাওয়াজাই ক্যাম্প, খাইবার পাখতুনখাওয়া এবং আরও কিছু সেনা ঘাঁটিতে আক্রমণ চালানো হয়েছে।'
এর আগে তালিবান অফিসিয়ালরা দাবি করে যে তারা একটি পাকিস্তানি ফাইটার জেটকে গুলি করে নামিয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএফপি জানায় যে, প্যারাসুটের মাধ্যমে প্রাণ বাঁচিয়ে নেয় বিমানের পাইলট। তবে তারপর তাকে আটক করেছে আফগানিস্তান। স্থানীয়রা জানিয়েছে, পাইলট নামার পরই তাকে দ্রুত আটক করা হয়।
ওদিকে আবার ইরানের উপর হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল এবং আমেরিকা। মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেইয়ের। তারপর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এই যুদ্ধ যে সহজে থামাবার নয়, এটা জানিয়ে দিয়েছেন খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই এখন দেখার যে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়। কত মানুষের প্রাণ যায় এই যুদ্ধে।