Pakistan Terror Army Nexus: 'পাক সেনা আমাকে আমন্ত্রণ জানায়...',মুনির বাহিনীর কীর্তি ফাঁস পহেলগাঁও হামলার মাস্টারমাইন্ডের

জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার সাইফুল্লাহ কাসুরি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে তার সংযোগ সম্পর্কে বড় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। পহেলগাঁও হামলার মূল পরিকল্পনাকারী জানিয়েছেন, তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পান। শুধু তাই নয়, তাকে সৈন্যদের নামাজ-এ-জানাজাতেও আমন্ত্রণ জানানো হয়। পহেলগাঁম হামলার মূল পরিকল্পনাকারী পাকিস্তানের এক স্কুলের অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের উদ্দেশে এই কথা বলেন।

Advertisement
 'পাক সেনা আমাকে আমন্ত্রণ জানায়...',মুনির বাহিনীর কীর্তি ফাঁস পহেলগাঁও হামলার মাস্টারমাইন্ডেরপহেলগাঁও হামলার মাস্টারমাইন্ডের স্বীকারোক্তি

 পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জঙ্গিদের সঙ্গে অনেক পুরনো সম্পর্ক রয়েছে। এখন তাদের নিজস্ব শিবিরের এক জঙ্গিই  পাক সেনাবাহিনীর এই যোগসূত্র প্রকাশ করেছে। জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার সাইফুল্লাহ কাসুরি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে তার সংযোগ সম্পর্কে  বড় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। পহেলগাঁও হামলার মূল পরিকল্পনাকারী জানিয়েছেন,  তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পান। শুধু তাই নয়, তাকে সৈন্যদের নামাজ-এ-জানাজাতেও আমন্ত্রণ জানানো হয়। পহেলগাঁম হামলার মূল পরিকল্পনাকারী পাকিস্তানের এক স্কুলের অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের উদ্দেশে এই কথা বলেন।

কাসুরি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কীর্তি ফাঁস করলেন
লস্কর-ই-তৈবার ডেপুটি-চিফ  কাসুরি গর্ব করে বলেন যে ভারত তার উপস্থিতিতে ভীত। তিনি ভারতের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন এবং স্পষ্ট হুমকি দিয়েছেন। কাসুরি বলেন, 'পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আমাকে আমন্ত্রণ জানায়। তারা আমাকে তাদের সৈন্যদের জানাজয়  নামাজ পড়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায়।' কাসুরির বক্তব্য পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর এই মিথ্যাচারকে উন্মোচিত করে যে তারা জঙ্গি গোষ্ঠীর থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে।

কাসুরি হলেন পহেলগাঁম হামলার মূল পরিকল্পনাকারী
কাসুরির বক্তব্য প্রমাণ করে যে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কীভাবে রাষ্ট্রসংঘ-নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী এবং সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যোগসাজশে জড়িত। কাসুরি গত বছর ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে রক্তাক্ত জঙ্গি হামলার মূল পরিকল্পনাকারী, যেখানে ২৬ জন অসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছিলেন। তাঁদের হত্যা করার আগে, জঙ্গিরা  ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

এই হামলার জবাবে, ভারত ৭ মে ভোরে  অপারেশন সিঁদুর শুরু করে, যেখানে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটিতে নির্ভুল হামলা চালায়। এর মধ্যে বাহাওয়ালপুর এবং মুরিদকেতে জইশ-ই-মোহাম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার আস্তানা অন্তর্ভুক্ত ছিল। কাসুরি পূর্বে স্বীকার করেছিলেন যে অপারেশন সিঁদুর পাকিস্তানের জঙ্গি পরিকাঠামোতে একটি উল্লেখযোগ্য আঘাত এনেছে। তিনি দাবি করেছিলেন যে ভারত জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে ভুল করেছে এবং তারা এই  কাশ্মীর মিশন থেকে পিছু হটবে না।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement