জ্বালানি নিয়ে চিন্তায় পড়েছে গোটা বিশ্বইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধের পর জ্বালানি নিয়ে চিন্তায় পড়েছে গোটা বিশ্ব। পাকিস্তানের হাল খারাপ থেকে খারাপতর হওয়ার দিকে এগোতে পারে এই আশঙ্কায় কাঁটা হয়ে রয়েছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম ডন-এর রিপোর্টে এই দাবি করা হয়েছে, দেশজুড়ে যাতে পেট্রোলিয়ামের অভাব না হয়, সেদিকে নজর রেখে একাধিক বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রতিবেশী দেশটি। যার মধ্যে রয়েছে সাপ্তাহিক পেট্রোলিয়ামের দাম সংশোধন, তেল কোম্পানিগুলিকে বিমা এবং আমদানি প্রিমিয়ামের বর্ধিত খরচের জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া। পাশাপাশি বহু কর্মীদের জন্য বাধ্যতামূলক ওয়ার্ক ফ্রম হোমে কাজ করার বিষয়েও ভাবছে ইসলামাবাদ।
পাক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে সূত্রের দাবি উল্লেখ করে বলা হয়েছে, পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির কারণে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ECC-কে একটি সামারি জমা দেওয়া হচ্ছে।
তবে, ECC এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই, রাষ্ট্রায়ত্ত পাকিস্তান স্টেট অয়েল (PSO) সরকারের সম্মতিতে সতর্কতা হিসেবে হরমুজ প্রণালী ছাড়া অন্য জায়গা থেকে পেট্রোল এবং ডিজেল আনার জন্য দুটি করে আমদানি দরপত্র শুরু করেছে। যদিও পাক সরকার জানিয়েছে, বর্তমানে তাদের হাতে যথেষ্ট পরিমাণে পেট্রল ও ডিজেল মজুদ রয়েছে।
ডন-এর রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, পেট্রোল ও ডিজেল উভয় জ্বালানিই বর্তমানে ৫ লক্ষ টনেরও বেশি মজুদ রয়েছে। যা ২৬ ও ২৫ দিনের জন্য যথেষ্ট। ইতিমধ্যে, সৌদি আরবকে বিকল্প রাস্তা লোহিত সাগর দিয়ে তেল সরবরাহের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার পেট্রোলিয়ামের দাম নিয়ে আলোচনা করার জন্য নবগঠিত ১৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য সমস্ত প্রাদেশিক মুখ্য সচিবদের নির্দেশ দিয়েছে। বৈঠকে সরকারি ও বেসরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য যতদূর সম্ভব বাধ্যতামূলকভাবে বাড়ি থেকে কাজ করার বিষয়টি নিয়েও আজই আলোচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।