কলোম্বিয়ার বিমান দুর্ঘটনাবুধবার থেকে নিখোঁজ ছিল কলম্বিয়ার Beechcraft 1900 বিমান। আর অবশেষে সেই বিমানটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে বের করেছে কলম্বিয়ার আধিকারিকরা। স্থানীয় মিডিয়া সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই দুর্ঘটনায় পর কোনও যাত্রী বেঁচে নেই। বিমানে যাত্রা করা ১৩ জন যাত্রী এবং ২ জন ক্রুই প্রাণ হারিয়েছেন। আর এই যাত্রীদের তালিকায় ছিলেন কলম্বিয়ার একজন সাংসদ। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনের প্রার্থীও ছিলেন যাত্রীদের মধ্যে।
কী হয়েছিল?
যতদূর খবর, ১৫ জন যাত্রী বহনকারী একটি বাণিজ্যিক বিমান কলম্বিয়া এবং ভেনেজুয়েলার কাছে নিখোঁজ হয়ে যায়। কলম্বিয়ার এভিয়েশন আধিকারিক এবং সেই দেশের বিমান সংস্থা সাটেনার পক্ষ থেকে জানান হয় যে বিমানটি শেষবারের মতো কাটাটুম্বো এলাকায় চিহ্নিত হয়েছিল। তারপরই শুরু হয়ে যায় খোঁজার কাজ।
NSE 8849 ফ্লাইটটি কাকুট থেকে বুধবার সকাল ১১.৪২ মিনিট নাগাদ ছাড়ে। তারপর ল্যান্ডিংয়ের মাত্র ১১ মিনিট আগে তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর প্লেনের অন্তিম লোকেশন ধরে শুরু হয় তল্লাশি। এরপরই কাটাটুম্বোর পার্বত্য এলাকায় মেলে এই বিমানের ধ্বংসাবশেষ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই এলাকার আবহাওয়া একবারেই ভাল নয়। পাশাপাশি এখানে বিপদসংকুল সব পাহাড় রয়েছে। যার ফলে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে।
কেন ক্র্যাশ হল বিমানটি?
এই বিষয়টি সম্পর্কে এখনই নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। কলম্বিয়ার বিমান পরিবহণ সংস্থার আধিকারিকরা প্লেনের ধ্বংসাবশেষের পরীক্ষানীরিক্ষা শুরু করেছেন। তারপরই জানা যাবে যে আবহাওয়া খারাপ থাকার জন্য নাকি প্রযুক্তিগত ত্রুটির জন্য ভেঙে পড়ল বিমানটি।
আসলে এই বিমান দুর্ঘটনার পরই কাজে লেগে পড়েছিল কলোম্বিয়ান এরোস্পেস ফোর্স এবং সিভিল এভিয়েশন অথারাটি। তারা যুগ্মভাবে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে। পাশাপাশি তাদের তরফ থেকে একটি হেলপলাইন নম্বরও চালু করে দেওয়া হয়। আর সেই বিমানেরই অবশেষে ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেল। যতদূর জানা যাচ্ছে বিমানে থাকা ১৫ জনই প্রাণ হারিয়েছেন।
আর ভারত থেকে শুরু করে কলম্বিয়া, একের পর এক বিমান দুর্ঘটনার কথা সামনে আসায় সাধারণ মানুষের মনে ভয় বাড়ছে। কারণ, গতকালই ভেঙে পড়েছে অজিত পাওয়ারের প্লেন। তাতে মৃত্যু হয়েছে অজিত সহ ওই বিমানে উপস্থিত সকলের। আর তারই মাঝে কলম্বিয়ায় বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনায় মৃত্যুর খবর সামনে আল। যার ফলে মানুষের মনে ভয় বাড়ছে।