Modi China Visit: সন্ত্রাসবাদ মুছে দেবে ভারত, সঙ্গী হবে চিন, জিনপিংকে বড় 'অফার' মোদীর

চিনের তিয়ানজিনে এসসিও (SCO) শীর্ষ সম্মেলনের আগে, রবিবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক মজবুত করার পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের বার্তা দিলেন মোদী।

Advertisement
সন্ত্রাসবাদ মুছে দেবে ভারত, সঙ্গী হবে চিন, জিনপিংকে বড় 'অফার' মোদীরপ্রধানমন্ত্রী মোদী ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
হাইলাইটস
  • রবিবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
  • বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক মজবুত করার পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের বার্তা দিলেন মোদী।
  • ভারতের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চিনকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন তিনি। 

চিনের তিয়ানজিনে এসসিও (SCO) শীর্ষ সম্মেলনের আগে, রবিবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক মজবুত করার পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের বার্তা দিলেন মোদী। ভারতের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চিনকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন তিনি। 

ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদী ও শি জিনপিং আঞ্চলিক, দ্বিপাক্ষিক এবং আন্তর্জাতিক নানা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন। সন্ত্রাসবাদ, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোই ছিল এদিনের বৈঠকের মূল বিষয়। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভারত ও চিন পরস্পরের পার্টনার, প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। মতপার্থক্য থাকতেই পারে। সেটা যেন কখনওই বিবাদের রূপ না নেয়।

উল্লেখ্য, এদিন ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনে শি জিনপিংকে আমন্ত্রণ জানান মোদী। ২০২৬ সালে ভারতের মাটিতেই সেই সম্মেলন হওয়ার কথা।

‘বন্ধুত্বই সঠিক পথ’, বলছেন শি জিনপিং
চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এদিনের বৈঠকে বলেন, 'ভারত ও চিনের জন্য বন্ধুত্বের সম্পর্কটাই সঠিক পথ। হাতি আর ড্রাগনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একে অপরের সাফল্যে সহযোগিতা করতে হবে।'

শি জিনপিং আরও বলেন, 'আমাদের দুই দেশের দায়িত্বই হল উন্নয়নশীল দেশগুলিকে একসঙ্গে নিয়ে অগ্রগতির পথে এগিয়ে চলা। সর্বোপরি মানব সমাজের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করাই আমাদের লক্ষ্য।'

সহযোগিতা ও উন্নয়নের বার্তা
চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম শিনহুয়ার খবর অনুযায়ী, শি জিনপিং বৈঠকে স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভারত ও চিন পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং পার্টনার। তাই দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি ও স্ট্র্যাটেজিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখতে হবে। 

প্রায় সাত বছর পর চিনের মাটিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। গত দশ মাসে মোদী ও শি জিনপিংয়ের এটাই দ্বিতীয় বৈঠক। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত আমেরিকা সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং ট্যারিফ নীতির জেরে এই বৈঠক আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ, মত বিশ্লেষকদের।

POST A COMMENT
Advertisement