Modi Jinping Meeting: 'চিন ভারতের বন্ধুত্বে ২৮০ কোটি মানুষের উপকার', একমত মোদী-জিনপিং; ট্রাম্পকে বার্তা?

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ১০ মাস পর ঘণ্টাখানেকেরও বেশি সময় ধরে বৈঠক করলেন শি জিনপিং। ট্রাম্পের শুল্ক বোঝার আবহে ভারত ও চিনের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। কোন কোন বিষয়ে এদিন আলোচনা করলেন মোদী-জিনপিং?

Advertisement
 'চিন ভারতের বন্ধুত্বে ২৮০ কোটি মানুষের উপকার', একমত মোদী-জিনপিং; ট্রাম্পকে বার্তা?নরেন্দ্র মোদী শি জিনপিং
হাইলাইটস
  • ড্রাগন ও হাতির কাছাকাছি আসা প্রয়োজন
  • মনে করছেন মোদী এবং জিনপিং
  • কোন কোন ইস্যু নিয়ে আলোচনা দুই রাষ্ট্রপ্রধানের?

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সাদরে অভ্যর্থনা জানালেন শি জিনপিং। SCO সামিটে যোগ দিতে চিনা প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণেই তিয়ানজিন সফরে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দীর্ঘ ১০ মাস পর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করলেন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগেই রবিবার এই বৈঠক শুরু হয়। চলে ঘণ্টাখানেক। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস, ভরসা, সংবেদনশীলতা এবং সম্মানের কথা বললেন। শি জিনপিং জানালেন, দুই দেশের বন্ধুত্ব দৃঢ় হওয়া প্রয়োজন। 

কী বললেন নরেন্দ্র মোদী?
বৈঠকের শুরুতেই এদিন নরেন্দ্র মোদী বলেন, 'গত বছর কাজানেও অত্যন্ত যুক্তিপূর্ণ এবং স্বার্থক আলোচনা হয়েছিল আমাদের। আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচক দিশা পেয়েছে। সীমান্তে সেনা সরানোর পর সেখানে শান্তি এবং স্থিতাবস্থা বজায় রয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিরাও সীমান্তে বোঝাপড়ার নিয়ে একমত। নতুন করে কৈলাস মানসসরোবর যাত্রাও শুরু হয়েছে।'

এছাড়াও দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা শুরু হতে চলেছে বলেও উল্লেখ করেছেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, 'চিন এবং ভারতের বন্ধুত্বে কল্যাণ হবে সমগ্র মানবজাতির। দুই দেশের ২৮০ কোটি মানুষের স্বার্থ জড়িয়ে আছে এই সম্পর্কের সঙ্গে।'

শি জিনপিংয়ের মত কী?
চিন এবং ভারতের মধ্যে সহযোগিতা থাকা কতটা প্রয়োজন, তা এদিনের বৈঠকে তুলে ধরেন চিনা প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, 'বিশ্বে নানাবিধ বদল আসছে। চিন এবং ভারত দু'টি সবচেয়ে সভ্য দেশ। বিশ্বের দুই জনপ্রিয় দেশ এবং গ্লোবাল সাউথের অন্তর্গত আমরা। আমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব থাকা প্রয়োজন। ভাল প্রতিবেশী হয়ে থাকা বাঞ্ছনীয়। ড্রাগন এবং এলিফ্যান্টকে একে অপরের কাছাকাছি আসতে হবে।' 

প্রসঙ্গত, চলতি বছর ভারত-চিন সম্পর্কের ৭৫ তম বর্ষ উদযাপিত হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন জিনপিং। সেক্ষেত্রে স্থায়ী এবং কূটনৈতিক সম্পর্কে দুই দেশের আরও জোর দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন তিনি। এশিয়ায় শান্তি এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেও একে অন্যের সঙ্গে পথচলা প্রয়োজন বলে মত তাঁর। 

Advertisement

আমেরিকার শুল্ক আগ্রাসনের মধ্যে এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। 


 

POST A COMMENT
Advertisement