Narendra Modi BRICS Summit 2026: ব্রিকসের আগেই আত্মবিশ্বাসী বার্তা মোদীর; কারা আসছেন, নিরাপত্তায় কী ব্যবস্থা?

শনিবার থেকে ভারতে শুরু হচ্ছে ব্রিকস সম্মেলন। এই দু’দিনের ব্রিকস সম্মেলনে খাদ্য থেকে শুরু করে শক্তি, স্বাস্থ্য, দুর্যোগ মোকাবিলা ও সাপ্লাই চেনের মতো বিষয় নিয়ে জোরদার আলোচনা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমানে বিশ্ব রাজনীতি একটি কঠিন জায়গায় এসে উপস্থিত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্রিকসকে একটি বড় মঞ্চ হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে নয়াদিল্লি।

Advertisement
ব্রিকসের আগেই আত্মবিশ্বাসী বার্তা মোদীর; কারা আসছেন, নিরাপত্তায় কী ব্যবস্থা?ব্রিকস সামিট নিয়ে কী বললেন নরেন্দ্র মোদী? (ছবি: পিটিআই ও এএফপি)
হাইলাইটস
  • শনিবার থেকে ভারতে শুরু হচ্ছে ব্রিকস সম্মেলন
  • এই দু’দিনের ব্রিকস সম্মেলনে খাদ্য থেকে শুরু করে শক্তি, স্বাস্থ্য, দুর্যোগ মোকাবিলা ও সাপ্লাই চেনের মতো বিষয় নিয়ে জোরদার আলোচনা হতে পারে
  • বর্তমানে বিশ্ব রাজনীতি একটি কঠিন জায়গায় এসে উপস্থিত হয়েছে

ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ব্রিকস সম্মেলন। আর ঠিক তার আগেই এই বৈঠক নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দু’দিনের এই সম্মেলনে যোগ দিতে বিশ্বের সব তাবড় রাষ্ট্রনেতারা ভারতে আসছেন। তার আগেই বিবৃতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ইতিমধ্যেই বিষয়টা নিয়ে এক্স-এ একটি পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি বলেন, 'আগামী কয়েকদিনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নেতারা ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে এক জায়গায় হবেন। আমি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী যে বিশ্বের উন্নতির জন্য বিভিন্ন বিষয়ে এই সম্মেলনে ইতিবাচক আলোচনা হবে।'

কবে শুরু ব্রিকস?
শনিবার থেকে ভারতে শুরু হচ্ছে ব্রিকস সম্মেলন। এই দু’দিনের ব্রিকস সম্মেলনে খাদ্য থেকে শুরু করে শক্তি, স্বাস্থ্য, দুর্যোগ মোকাবিলা ও সাপ্লাই চেনের মতো বিষয় নিয়ে জোরদার আলোচনা হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমানে বিশ্ব রাজনীতি একটি কঠিন জায়গায় এসে উপস্থিত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্রিকসকে একটি বড় মঞ্চ হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে নয়াদিল্লি।

মাথায় রাখতে হবে, এবার ব্রিকস একটি অস্থির সময়ের মধ্যে হচ্ছে। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এই সম্মেলনের সময়ই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, আমেরিকা-ইজরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য নীতির ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আর এই সমস্ত বিষয়গুলি মাথায় রেখেই ব্রিকসে আলোচনা হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কারা আসছেন? 
এই সম্মেলনে চাঁদের হাট বসতে চলেছে। ইতিমধ্যেই দেশে এসেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এছাড়া আসবেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো, মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম, আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্স মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলি এবং ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী লে মিন হুং। 

৩ দিনের ভারত সফরে পুতিন
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শুক্রবারই ভারতে এসেছেন। তিন দিনের ভারত সফর এসেছেন তিনি। ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এই দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং শক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পুতিনের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলও ভারতে এসেছেন।

Advertisement

ব্রিকস সম্মেলনের আগে হাই অ্যালার্টে দিল্লি
নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এখানে উপস্থিত থাকবেন সারা বিশ্বের তাবড় সব শীর্ষ নেতারা। তাই নিরাত্তার দিকে কোনও রকম ছাড় রাখতে চাইছে না ভারত। এমতাবস্থায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সাময়িকভাবে যান চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

জানলে অবাক হবেন, দু’দিনের ১৮তম ব্রিকস সম্মেনলের নিরাপত্তায় প্রায় ১৫ হাজার পুলিশকর্মী মোতোয়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০০ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। সেই সঙ্গে গোটা দিল্লিতে ৫০০-রও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে।

দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, ব্রিকসের জন্য পুরো শহরের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হবে না। তবে ভিভিআইপি কনভয়ের যাতায়াতের রুটে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হতে পারে। এই সব রাস্তায় রুট বদল হতে পারে। এমনকী অন্যান্য বিধিনিষেধ থাকতে পারে।

 

POST A COMMENT
Advertisement