Greenland : গ্রিনল্যান্ড এবার পুতিনেরও নজরে? ট্রাম্পকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ, ইউরোপে শোরগোল

গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চান, প্রকাশ্যে ঘোষণা করেই ইউরোপজুড়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন ও ব্রিটেনের নেতারা এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সাফ জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড গ্রিনল্যান্ডেরই জনগণের।

Advertisement
গ্রিনল্যান্ড এবার পুতিনেরও নজরে? ট্রাম্পকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ, ইউরোপে শোরগোল গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বাড়ছে উত্তেজনা
হাইলাইটস
  • গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আরও বাড়ছে উত্তেজনা
  • আসরে নামল রাশিয়া

গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চান, প্রকাশ্যে ঘোষণা করেই ইউরোপজুড়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন ও ব্রিটেনের নেতারা এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সাফ জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড গ্রিনল্যান্ডেরই জনগণের। বাইরের হস্তক্ষেপ এক্ষেত্রে বরদাস্ত করা হবে না। তবে এবার রাশিয়া এই নিয়ে মুখ খুলল। ভ্লাদিমির পুতিনের বিদেশমন্ত্রক দাবি করে বসল, গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ নয়। 

রাশিয়ার এই মন্তব্য আমেরিকার গ্রিনল্যান্ড দখল দাবি-কে অন্যমাত্রা যোগ করল বলে দাবি করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, রুশ বিদেশমন্ত্রীর দাবি থেকে পরিষ্কার তাঁরাও গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমেরিকার দাবিকে সহজে মান্যতা দেবেন না। বরং পরিস্থিতি জটিল থেকে জটিলতর করতে পারে। গ্রিনল্যান্ডকে পৃথক অস্তিত্বের ভূ-খণ্ড বলে আসলে ডেনমার্কের কর্তৃত্বকে অস্বীকার করতে চাইছেন তিনি। ফলে আমেরিকার উদ্ভূত পরিস্থিতিকে নজরে রাখার পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গেও 'লড়াই' করতে হবে গ্রিনল্যান্ডের সমর্থক দেশগুলোকে। সেক্ষেত্রে রাশিয়াও এই ইস্যুতে প্রতিপক্ষ হয়ে উঠবে আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর। 

সেরগেই লাভরভ আরও দাবি করেন, 'আমরা গ্রিনল্যান্ডের চারপাশের  ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। গ্রিনল্যান্ডকে সংযুক্ত করার ইচ্ছে রাশিয়া বা চিনের নেই। ন্যাটোর উচিত জোটের মধ্যেই গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া।' 

আন্তর্জাতিক মহলের আরও দাবি, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে রাশিয়া চাইছে আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিরোধ। তাহলে লাভবান হবেন পুতিন। সেটাই চাইছেন তিনি।  

প্রসঙ্গত, ভৌগোলিকভাবে ডেনমার্কের অংশ গ্রিনল্যান্ড। আবার ছোট্ট এই দ্বীপটি ঐতিহাসিক কারণে স্বায়ত্ত্বশাসন ভোগ করে আসছে। আইন-শাসন এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। সব জেনেও রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রী সেরগেই লাভরভ বলেন, 'গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ নয়। রাশিয়া বা চিন নিজেদের সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডকে সংযুক্ত করবে এমন কোনও পরিকল্পনার প্রমাণ আমেরিকার হাতে নেই। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে হস্তক্ষেপের ইচ্ছেও নেই রাশিয়ার।' 


আমেরিকা কেন গ্রিনল্যান্ডকে পাখির চোখ করেছে? 

ইউরোপ ও আমেরিকা মহাদেশের কাছে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান গ্রিনল্য়ান্ড। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই গ্রিনল্যান্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে বড় কোনও যুদ্ধ হলে যার কাছে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ থাকবে সেই আটলান্টিক নৌপথের কর্তৃত্ব হাতে রাখতে পারবে। কৌশলগত দিক থেকে তাই আমেরিকার পাশাপাশি রাশিয়ার কাছেও গ্রিনল্যান্ড খুব তাৎপর্যপূর্ণ জায়গা।  

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement