ইরানকে দেওয়ার জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলার আসবে কোথা থেকে? উত্তর দিতে গালফ যাচ্ছেন US বিদেশ সচিব

ইরান পুনর্গঠনে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দিতে হবে। কিন্তু সেই টাকা দেবে কে? সেই উত্তরটা দিতেই গালফ যাচ্ছেন US বিদেশ সচিব।

Advertisement
ইরানকে দেওয়ার জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলার আসবে কোথা থেকে? উত্তর দিতে গালফ যাচ্ছেন US বিদেশ সচিবইরান ৩০০ বিলিয়নের ডিল
হাইলাইটস
  • ইরান পুনর্গঠনে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দিতে হবে
  • কিন্তু সেই টাকা দেবে কে?
  • সেই উত্তরটা দিতেই গালফ যাচ্ছেন US বিদেশ সচিব

আমেরিকা ও ইরান একটি সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি ডিলের দিকে এগচ্ছে। আর তারপরই গালফ অঞ্চলে এখন একটি প্রশ্নই সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের, এই চুক্তি থেকে শেষ পর্যন্ত ইরান কতটা লাভবান হতে পারে? আর তার জবাব দিতে চলতি সপ্তাহে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও তিন দিনের মধ্যপ্রাচ্য সফরে যাচ্ছেন। এটাই এই সফরে অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে চলেছে। এই সময় তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কুয়েত এবং বাহারিন সফর করবেন। এই সফরে তিনি ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করবেন যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের তেহরানের সঙ্গে চুক্তি তাদের স্বার্থের ক্ষতি করবে না।

যদিও উদ্বেগের বিষয়টি কূটনীতি নয়। কারণ, উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশিরভাগ দেশই আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানের সংঘাত বন্ধের চেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে তাদের আশঙ্কা, আলোচনা সফল হলে ইরান কী ধরনের সুবিধা পাবে এবং চুক্তিটি ইরানের সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগ যথেষ্টভাবে মোকাবিলা করছে কি না।

কেন উদ্বিগ্ন গালফের বন্ধুরা?

আসলে ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সম্ভাব্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল তৈরির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এটা নিয়েই আলোচনা তুঙ্গে।

মৌ-তে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলির সঙ্গে মিলে ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা তৈরি করবে। চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে।

উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক কর্মকর্তার আশঙ্কা, এই তহবিল ইরানকে যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে সাহায্য করবে। পাশাপাশি দেশটির সামরিক সক্ষমতা ও আঞ্চলিক প্রভাবও বাড়িয়ে দিতে পারে। এছাড়া গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত সমঝোতায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ না থাকায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে এই সব দেশগুলি। 

এই উদ্বেগ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী, কুয়েত, বাহারিন এবং কাতারে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ইরানের সঙ্গে সংঘাত চলার সময় এই দেশগুলিও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়েছিল। 

Advertisement

পুনর্গঠন নিয়ে প্রশ্ন

ওই সব দেশের নেতারা আরেকটি যুদ্ধ এড়ানোর প্রচেষ্টাকে সমর্থন করলেও তারা জানতে চান, ওয়াশিংটন ঠিক কী প্রস্তাব দিচ্ছে এবং এর বিনিময়ে ইরানকে কী করতে হবে।

ইরানের পুনর্গঠনের আলোচনা চললেও উপসাগরীয় দেশগুলি এখনও জানায়নি তারা এ কাজের অর্থ পাবে কীভাবে। যুদ্ধের পর বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। একই সময়ে তেহরানও ওয়াশিংটনের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করছে। সুইজারল্যান্ডে আলোচনার আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে 'এক পয়সাও' দেওয়া হবে না।

 

POST A COMMENT
Advertisement