Shamonda virus Death: গরুর পর এবার মানুষের শরীরেও শামোন্ডা ভাইরাস, মৃত্যু প্রৌঢ়ের

প্রথমে শুধু গবাদি পশুরাই অসুস্থ হচ্ছিল। কিন্তু এবার সেই শামোন্ডা ভাইরাস মিলল মানুষের শরীরেও। ফ্রান্সে এই ভাইরাসে আক্রান্ত এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এটিই মানুষের শরীরে এই শামোন্ডা সংক্রমণের প্রথম রেজিস্টার্ড ঘটনা।

Advertisement
গরুর পর এবার মানুষের শরীরেও ভয়ঙ্কর শামোন্ডা ভাইরাস, মৃত্যু প্রৌঢ়েরএটিই মানুষের শরীরে এই শামোন্ডা সংক্রমণের প্রথম রেজিস্টার্ড ঘটনা।
হাইলাইটস
  • প্রথমে শুধু গবাদি পশুরাই অসুস্থ হচ্ছিল।
  • এবার সেই শামোন্ডা ভাইরাস মিলল মানুষের শরীরেও।
  • আপাতত মানুষের মধ্যে ব্যাপক হারে সংক্রমণের আশঙ্কা কম।

Shamonda Virus in France: প্রথমে শুধু গবাদি পশুরাই অসুস্থ হচ্ছিল। কিন্তু এবার সেই শামোন্ডা ভাইরাস মিলল মানুষের শরীরেও। ফ্রান্সে এই ভাইরাসে আক্রান্ত এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এটিই মানুষের শরীরে এই শামোন্ডা সংক্রমণের প্রথম রেজিস্টার্ড ঘটনা। মৃতের আগে থেকেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। তাঁর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও অনেক কম ছিল। ফলে ভাইরাসের সংক্রমণই মৃত্যুর মূল কারণ কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে তা হলেও যে বিষয়টি উদ্বেগের, তা বলাই যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, আপাতত মানুষের মধ্যে ব্যাপক হারে সংক্রমণের আশঙ্কা কম।

শামোন্ডা ভাইরাস কী?
শামোন্ডা ভাইরাস মূলত গরু-সহ বিভিন্ন গবাদি পশুকে আক্রান্ত করে। মিজ নামে ছোট উড়ন্ত পোকাই এর বাহক। মাঠে-খামারে এই পোকা কামড়ালেই পশুর শরীরে এই ভাইরাস ঢুকে পড়ে। ১৯৬৫ সালে নাইজেরিয়ায় প্রথম ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি অঞ্চলেও এর উপস্থিতি মিলেছে।

চলতি বছরের জুলাইয়ের শেষ দিকে ইউরোপে প্রথম এই ভাইরাসের সন্ধান মেলে। ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন ও আয়ারল্যান্ড-সহ ১২টিরও বেশি দেশে পশুর সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। 

পশুদের কী হয়?
গরু, ভেড়া, ছাগল, ঘোড়া এবং আলপাকার(উট ও ভেড়ার মাঝামাঝি দেখতে) মতো প্রাণী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। সংক্রমণ হলে জ্বর, ডায়রিয়া এবং দুধ উৎপাদন কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। গর্ভবতী পশুর গর্ভপাতও হতে পারে। কিছু ঘোড়ার ক্ষেত্রে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সমস্যার কথাও জানা গিয়েছে।  

মানুষের জন্য কতটা বিপজ্জনক?
ফ্রান্সের পূর্বাঞ্চলে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে কীভাবে এই ভাইরাসটি ঢুকেছিল, তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের সন্দেহ, মিজ পোকার কামড় থেকেই এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ওই এলাকায় আগেই গবাদি পশুর মধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়েছিল। রোগীর মস্তিষ্কের সমস্যার সঙ্গে সংক্রমণের যোগ থাকতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর সঙ্গে ভাইরাসের সরাসরি সম্পর্ক আছে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। 

Advertisement

শামোন্ডা ভাইরাস সম্পর্কে এখনও বিজ্ঞানীদের হাতে পর্যাপ্ত তথ্য নেই। আন্তর্জাতিক পশুস্বাস্থ্য সংস্থা WOAH-এর তালিকাতেও এটি নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়মের যে তালিকা আছে, তাতেও ভাইরাসটির উল্লেখ নেই। ফলে আক্রান্ত পশুর প্রকৃত সংখ্যা ও সংক্রমণের বিস্তার সম্পর্কে এখনই সব তথ্য পাওয়া কঠিন। তাই আপাতত আরও গবেষণা প্রয়োজন। এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলেই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। 

POST A COMMENT
Advertisement