হরমুজ প্রণালীহরমুজ প্রণালী নিয়ে ফের বাড়ল উত্তেজনা। পাকিস্তানে আমেরিকা-ইরানের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর আমেরকিা হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ দাবি করেছে। এই ঘোষণার ফলে ভারতীয় জাহাজগুলোর জন্য অসুবিধা আরও বেড়েছে।
২০২৬ সালের ১১ এপ্রিল, দশম ভারতীয় পতাকাবাহী এলপিজি ট্যাঙ্কার ‘জগ বিক্রম’ আরব সাগরে
ঢুকেছে। ২০,৪০০ টন এলপিজি এবং ২৪ জন নাবিক সহ জাহাজটির ১৫ এপ্রিল মুম্বই পৌঁছনোর কথা রয়েছে।
নৌপরিবহণ মন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে, হরমুজ প্রণালীর (পারস্য উপসাগর) পশ্চিম অংশে এখনও ১৫টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ আটকা পড়ে আছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি এলএনজি জাহাজ, একটি খালি এলপিজি জাহাজ, ছয়টি অপরিশোধিত তেলের ট্যাঙ্কার (পাঁচটি পূর্ণ ও একটি খালি), তিনটি কন্টেইনার জাহাজ, একটি ড্রেজার এবং একটি রাসায়নিক পণ্যবাহী জাহাজ। জাহাজগুলোকে নিরাপদে সরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভারতীয় নৌবাহিনী একটি অতিরিক্ত টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে। নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করছে না, তবে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকারী ভারতীয় জাহাজগুলোকে দিকনির্দেশনা ও যোগাযোগ সহায়তা প্রদান করছে। জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার পর, নৌবাহিনীর জাহাজগুলো সেগুলোকে ওমান উপসাগর এবং তারপর উত্তর আরব সাগরে নিরাপদে পৌঁছে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, চিফ অফ স্টাফ এবং নৌবাহিনী প্রধান ব্যক্তিগতভাবে এই অভিযান পর্যবেক্ষণ করছেন।
নৌবাহিনীর এসওপি
এর আগে, এলপিজি জাহাজ ‘গ্রিন সানভি’ ৪৬,৬৫৫ টন এলপিজি নিয়ে গুজরাতে পৌঁছেছিল। ‘গ্রিন আশা’ ১৫,৪০০ টন এলপিজি নিয়ে মুম্বইয়ে পৌঁছেছিল। ‘জাগ বসন্ত’ কান্দলায় পৌঁছেছিল, অন্যদিকে ‘পাইন গ্যাস’ নিউ ম্যাঙ্গালোরে ৪৫,০০০ টন এলপিজি সরবরাহ করেছিল। এ পর্যন্ত মোট ১০টি ভারতীয় জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। প্রাথমিকভাবে ২৫টি জাহাজ আটকে পড়েছিল।