ট্রাম্প ১০ শতাংশ গ্লোবাল ট্যারিফট্যারিফ নিয়ে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টে মুখ থুবড়ে পড়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকার। সেই দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে যে ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনোমিক পাওয়ারস অ্যাক্টকে ব্যবহারে করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে একাধিক দেশের উপর শুল্ক বসিয়েছেন, সেটা সম্পূর্ণ বেআইনি। আর আদালতের কাছে হারের পরই ১০ শতাংশ গ্লোবাল ট্যারিফ ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তাই আর দেরি না করে ভারত এবং গোটা বিশ্বের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে বিশদে জেনে নিন।
আদলতের মার...
সুপ্রিম কোর্টে মুখ থুবড়ে পড়েছেন ট্রাম্প। তারপরই মেজাজ খারাপ রয়েছে তাঁর। সুপ্রিম নির্দেশ আসার এক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি ১০ শতাংশ গ্লোবাল ট্যারিফের এক্সিকিউটিভ অর্ডারে সই করে দেন। এই অর্ডারের সহজ অর্থ হল, এখন থেকে যে কোনও দেশের পণ্য আমেরিকায় রফতানি করতে গেলে ১০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে এই বিষয়টি সম্পর্কে জানিয়েও দিয়েছেন।
সব দেশের উপর মাত্র ১০ শতাংশ শুল্ক থাকবে?
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ট্যারিফকে বেআইনি বলে ঘোষণা করে দিয়েছে সেই দেশের সুপ্রিম কোর্ট। তারপরই সবার মনে একটি প্রশ্ন, এখন থেকে কি সব দেশের উপর ১০ শতাংশ শুল্কই থাকবে? এই প্রসঙ্গে সংবাদ সংস্থা এএনআই হোয়াইট হাউজের এক সূত্র মারফত জানতে পেরেছে যে, যতদিন না নতুন কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে, ততদিন মাত্র ১০ শতাংশ ট্যারিফই নেওয়া হবে। এর সহজ অর্থ হল, এখন থেকে আর ১৮ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে আমেরিকায় পণ্য রফতানি করতে চাইলে। মাত্র ১০ শতাংশ ট্যারিফ দিয়েই সেই দেশে পণ্য রফতানি সম্ভব হবে।
যদিও ট্রাম্পের একটা দাবি এখানে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানিয়েছেন, ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ১২২ অনুযায়ী, যেই শুল্ক এখন দেশগুলির উপর বসানো রয়েছে, তার উপর আরও ১০ শতাংশ ট্যারিফ চাপানো হবে।
নতুন ট্যারিফ কী IEEPA-এর বদলে আসতে চলেছে?
ট্রাম্প পৃথিবীর একাধিক দেশেরে উপর রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বসিয়েছেন। তিনি IEEPA আইনের সাহায্যে এই কাজটা করেছিলেন। যদিও কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে যে এই আইন লাগু করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের নেই। শুধু জরুরি পরিস্থিতিতেই এমনটা করা সম্ভব। তাই এখন এটা সহজেই বলা যায় যে IEEPA-এর বদলে নতুন এই ট্যারিফ বসতে চলেছে।
কবে থেকে নতুন ট্যারিফ হবে কার্যকর?
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই ১০ শতাংশ ট্যারিফের ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এটা ১৫০ দিন বা মোটামুটি ৫ মাস কার্যকর থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আরও ট্যারিফ বাড়তে পারে?
এই বিষয়টাও পরিষ্কার করে দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, এখন বিশ্লেষণের কাজ চলবে। তেমন হলে আরও বাড়ানো হতে পারে ট্যারিফ।