USA Russia Tension Over Oil Tanker Capture: আমেরিকার রুশ তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটকানোর পরিণতি কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ?

USA Russia Tension Over Oil Tanker Capture: ঘটনার পর ক্ষোভে ফুঁসছে মস্কো। রুশ সেনেটর আন্দ্রে ক্লিশাস এই বাজেযাপ্তকরণকে ‘খোলাখুলি সমুদ্রদস্যুতা’ বলে অভিহিত করেছেন। রাশিয়ার দাবি, ১৯৮২ সালের উইনক্লস সি-ল' কনভেনশনের স্পষ্ট লঙ্ঘন করেছে আমেরিকা। 

Advertisement
আমেরিকার রুশ তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটকানোর পরিণতি কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ?

SA Russia Tension Over Oil Tanker Capture World War 3 Trump Actions : উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রে রুশ পতাকাবাহী তেল ট্যাঙ্কার ‘মারিনেরা’-কে জব্দ করল মার্কিন কোস্ট গার্ড ও সেনাবাহিনী। আমেরিকার দাবি, ট্যাঙ্কারটি নিষেধাজ্ঞা ভেঙে ভেনেজুয়েলার তেল গোপনে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। অপারেশনটি ছিল একেবারে সিনেমার দৃশ্যের মতো। সমুদ্রের বুকে বিশাল জাহাজ, মাথার ওপর মার্কিন হেলিকপ্টার, আর দড়ি বেয়ে নেমে আসা সশস্ত্র কমান্ডোরা। ব্রিটেনও এই অভিযানে আমেরিকাকে পুরো সমর্থন দিয়েছে।

রাশিয়ার কড়া প্রতিবাদ 'এটি সমুদ্রদস্যুতা'
ঘটনার পর ক্ষোভে ফুঁসছে মস্কো। রুশ সেনেটর আন্দ্রে ক্লিশাস এই বাজেযাপ্তকরণকে ‘খোলাখুলি সমুদ্রদস্যুতা’ বলে অভিহিত করেছেন। রাশিয়ার দাবি, ১৯৮২ সালের উইনক্লস সি-ল' কনভেনশনের স্পষ্ট লঙ্ঘন করেছে আমেরিকা। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, কোনও দেশের রেজিস্টার্ড জাহাজে এভাবে বলপ্রয়োগ করে অভিযান চালানোর কোনও অধিকার নেই। এখন কূটনৈতিক মহল তাকিয়ে আছে রাশিয়া কীভাবে পাল্টা জবাব দেয়।

২৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয় দফা অভিযান চিনের পথে যাওয়া ট্যাঙ্কারও আটক
এক দিনের মধ্যেই আরেকটি তেল ট্যাঙ্কার এমটি সোফিয়াকে ক্যারিবিয়ান সাগরে আটক করেছে আমেরিকা। সেটিও ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ে যাচ্ছিল চিনের দিকে। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন তেল বাণিজ্য ও তার নিয়ন্ত্রণে আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রাসী কৌশল নিয়েছে।

রাশিয়া-ভেনেজুয়েলা-চিন তিন ফ্রন্টেই সংঘাত
রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি সংঘাত তো বটেই, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে কার্যত ‘কিডন্যাপ’ করার অভিযোগও উঠেছে মার্কিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ইরানকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। এমনকি গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়টিও ফের তুলে আনছেন ট্রাম্প। বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা আরও বাড়াচ্ছে তাঁর অবস্থান।

বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা যুদ্ধ প্রস্তুতিতে বাড়ছে বাজেট
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা বাজেট ১ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার করতে চায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন বাড়তি বরাদ্দ স্পষ্টভাবে যুদ্ধের প্রস্তুতি বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ভারতের ওপর চাপ বাড়তে পারে
ট্রাম্প প্রশাসন বিবেচনা করছে ভারত যদি রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ না করে, তবে আমদানি করা রুশ তেলের ওপর ৫০০% পর্যন্ত ট্যারিফ চাপানো হতে পারে। ভারতের ওপর এর অর্থনৈতিক প্রভাব মারাত্মক হতে পারে।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement