Turkish Airlines plane fire Kathmandu: কাঠমান্ডুতে ল্যান্ডিংয়ের সময় প্লেনের চাকায় ভয়াবহ আগুন, ২৭৭ যাত্রী কেমন আছেন?

ইস্তানবুল থেকে কাঠামান্ডু এসেছে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের টিকে৭২৬ বিমানটি। আর সকাল পৌনে সাতটা নাগাদ বিমানটি ল্যান্ডিং করার সময়ই বিপত্তি। এই বিমানের চাকায় ভয়াবহ আগুন লেগে যায়। মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে এয়ারপোর্টে। যাত্রীদের মধ্যে ভয়ের সঞ্চার হয়। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এয়ারপোর্টের দমকল বাহিনী। তাতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ইতিমধ্যেই নেপাল সিভিল এভিয়েশন অথারিটির পক্ষ থেকে বিষয়টা সম্পর্কে বিশদে জানান হয়েছে। তাদের দাবি, এই বিমানে ২৭৭ জন যাত্রী ছিলেন। যার মধ্যে ৪ শিশুও ছিল। তবে তারা সকলেই এখন সুরক্ষিত।

Advertisement
কাঠমান্ডুতে ল্যান্ডিংয়ের সময় প্লেনের চাকায় ভয়াবহ আগুন, ২৭৭ যাত্রী কেমন আছেন?কাঠমান্ডুতে ল্যান্ডিংয়ের সময় প্লেনের চাকায় ভয়াবহ আগুন
হাইলাইটস
  • ইস্তানবুল থেকে কাঠামান্ডু এসেছে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের টিকে৭২৬ বিমানটি
  • সকাল পৌনে সাতটা নাগাদ বিমানটি ল্যান্ডিং করার সময়ই বিপত্তি
  • এই বিমানের চাকায় ভয়াবহ আগুন লেগে যায়

ইস্তানবুল থেকে কাঠামান্ডু এসেছে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের টিকে৭২৬ বিমানটি। আর সকাল পৌনে সাতটা নাগাদ বিমানটি ল্যান্ডিং করার সময়ই বিপত্তি। এই বিমানের চাকায় ভয়াবহ আগুন লেগে যায়। মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে এয়ারপোর্টে। যাত্রীদের মধ্যে ভয়ের সঞ্চার হয়। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এয়ারপোর্টের দমকল বাহিনী। তাতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ইতিমধ্যেই নেপাল সিভিল এভিয়েশন অথারিটির পক্ষ থেকে বিষয়টা সম্পর্কে বিশদে জানান হয়েছে। তাদের দাবি, এই বিমানে ২৭৭ জন যাত্রী ছিলেন। যার মধ্যে ৪ শিশুও ছিল। তবে তারা সকলেই এখন সুরক্ষিত।

কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে? 
এয়ারপোর্ট অথারিটি জানিয়েছে, এই আগুন চোখে পড়ার পরই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ওই সময় আগুন নেভানো হয়। পাশাপাশি এমার্জেন্সি দরজাও খুলে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই যাত্রীদের নিয়ে আনা হয়। 

যতদূর খবর, রেসকিউ অপারেশন দারুণভাবে হয়েছে। যাত্রীরা সকলেই নিরাপদে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের সামান্য চোট লেগেছে। এই বিমানে অনেক লাগেজ ছিল। শুধু তাই নয়, মৃতদেহও মিলেছে এই প্লেনে। যদিও ইনফরমেশন অফিসার জ্ঞানেন্দ্র ভুল জানিয়েছেন, এই বিমানে উপস্থিত সকলেই সুস্থ আছেন। 

এখন কী পরিস্থিতি? 
টার্কিশ এয়ারলাইন্স প্লেনটি দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার পরই রানওয়েতে দাঁড়িয়ে যায়। যার ফলে বিমানবন্দর উপস্থিত একাধিক প্লেন উড়তে পারনি। এমনকী কিছু ফ্লাইট আকাশেই চক্কর খেতে থাকে। তারা নামার সুযোগ পায়নি। 

এই যেমন দিল্লি থেকে উড়ে যাওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট এআই ২১৫ এবং শারজা থেকে উড়ান দেওয়া জি৯ ৫৩৬ বিমানটিও সঙ্গে সঙ্গে নামতে পারেনি। একইভাবেই ভুটান, দুবাই ও কুয়ালালামপুরের ফ্লাইটও কাঠমান্ডু বিমানবন্দরের উপর চক্কর খেতে থাকে। 

    

 

POST A COMMENT
Advertisement