Iran Israel War: মোদীর এক ফোনেই থেমে যাবে ইরান যুদ্ধ, বড় দাবি UAE-র প্রথম রাষ্ট্রদূতের

ভারতে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রথম রাষ্ট্রদূত হুসেইন হাসান মির্জা ইন্ডিয়া টুডে টিভি-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ফোনকলেই থেমে যেতে পারে ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ। ঠিক কী ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি?

Advertisement
মোদীর এক ফোনেই থেমে যাবে ইরান যুদ্ধ, বড় দাবি UAE-র প্রথম রাষ্ট্রদূতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
হাইলাইটস
  • মোদীর একটি ফোনকলেই থেমে যেতে পারে ইরান যুদ্ধ
  • মনে করছেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রথম রাষ্ট্রদূত
  • ঠিক কী ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি?

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এক ফোনেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে ইরান যুদ্ধ। এমনটাই মনে করছেন ভারতে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রথম রাষ্ট্রদূত হুসেইন হাসান মির্জা। তিনি বলেছেন, 'নরেন্দ্র মোদী যদি ইজরায়েল ও ইরান, দুই দেশের নেতাদের সঙ্গে মাত্র একবার ফোনে কথা বলেন, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কমে যেতে পারে।'

ইন্ডিয়া টুডে টিভি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুসেইন হাসান মির্জা বলেন, 'আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতের অবস্থান এবং মোদীর দুই দেশের সঙ্গেই সুসম্পর্ক এই উত্তেজনা কমাতে সহায়ক হতে পারে।' তিনি আরও বলেন, 'ভারত একটি মহান দেশ। ভারতের আন্তর্জাতিক অবস্থান এমন, মিস্টার মোদী যদি ইজরায়েল ও ইরান, দুই দেশকেই একটি ফোন করেন এবং সংঘাত বন্ধ করতে বলেন, তাহলে যুদ্ধ থেমে যেতে পারে। একটি ফোন কলই যথেষ্ট।'

মির্জা আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী সম্প্রতি ইজরায়েল সফর করেছেন এবং একইসঙ্গে ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতাদের একটি। তিনি বলেন, 'খুব সহজে মিস্টার মোদীর একটি ফোনকলই সমস্যার সমাধান করতে পারে।' 

সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে বসবাসকারী বিশাল ভারতীয় সম্প্রদায়ের কারণেও মির্জা আশা করছেন, ভারত কূটনৈতিক ভাবে এই পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করবে। 

ভারতে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরশাহির এই প্রথম রাষ্ট্রদূত বলেন, 'আমি ভারতের নেতৃত্ব ও সরকারের উপর অনেকটাই নির্ভর করছি যাতে তারা হস্তক্ষেপ করে এবং আমাদের দেশে থাকা তাদের সম্প্রদায়কতে রক্ষা করে। যে সম্প্রদায় আমাদের পরিকাঠামো, বাণিজ্য ও ব্যবসা গড়ে তুলতে বহু দশক ধরে অবদান রেখেছে। শুধু এখন নয়, ৭০-৮০ বছর ধরেই।'

বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ৩৫ লক্ষেরও বেশি ভারতীয় বাস করেন। সাক্ষাৎকারে মির্জা জানান, UAE তাদের ভূখণ্ড থেকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনও ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনার অনুমতি দেয়নি। তিনি বলেন, 'আমরা আমাদের দিক থেকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনও কার্যকলাপের অনুমতি দিইনি, এটা নিশ্চিত। উপসাগরীয় অন্যান্য দেশ যেমন কুয়াত এবং কাতারও তাদের মাটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনও আক্রমণ চালানোর অনুমতি দেয়নি।'

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার পর ইরান প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও ড্রোন হামলার মুখে পড়েছে। যদিও তাদের অধিকাংশই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করা হয়েছে। UAE বারবার বলছে, তারা তাদের ভূখণ্ড রক্ষা করার পাশাপাশি এই সংঘাতে যেন পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

 

POST A COMMENT
Advertisement