Adani Fraud Charges Dropped: ঘুষকাণ্ডে আদানিকে ক্লিনচিট দিচ্ছেন ট্রাম্প, আমেরিকায় বিরাট বিনিয়োগের প্ল্যান শিল্পপতির

বড় স্বস্তি পেলেন ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানি। সোমবার আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আদানির বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি প্রতারণার অভিযোগ খারিজের পদক্ষেপ নিয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর একটি সংস্থার বিরুদ্ধে ইরান সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগেরও মীমাংসা করা হয়েছে। এর ফলে আমেরিকায় আদানি গোষ্ঠী বড় আইনি স্বস্তি পেল বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
ঘুষকাণ্ডে আদানিকে ক্লিনচিট দিচ্ছেন ট্রাম্প, আমেরিকায় বিরাট বিনিয়োগের প্ল্যান শিল্পপতিরআদানি ঘুষ কাণ্ড
হাইলাইটস
  • বড় স্বস্তি পেলেন ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানি
  • সোমবার আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আদানির বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি প্রতারণার অভিযোগ খারিজের পদক্ষেপ নিয়েছে
  • একই সঙ্গে তাঁর একটি সংস্থার বিরুদ্ধে ইরান সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগেরও মীমাংসা করা হয়েছে

বড় স্বস্তি পেলেন ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানি। সোমবার আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আদানির বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি প্রতারণার অভিযোগ খারিজের পদক্ষেপ নিয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর একটি সংস্থার বিরুদ্ধে ইরান সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগেরও মীমাংসা করা হয়েছে। এর ফলে আমেরিকায় আদানি গোষ্ঠী বড় আইনি স্বস্তি পেল বলে মনে করা হচ্ছে।

আদালতের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন বিচার বিভাগ আদানি ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে আনা ঘুষকাণ্ডের অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছে। অভিযোগ ছিল, ভারতের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন পেতে আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়া হয়েছিল। যদিও সেই অভিযোগই এবার প্রত্যাহারের আবেদন জানান হয়েছে।

১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ
মার্কিন সরকার যখন এই ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, ঠিক তার কয়েক সপ্তাহ আগে আদানির আইনজীবী, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী, তিনি এক বিশেষ দাবি করেন। তিনি প্রশাসনকে জানিয়েছিলেন যে, গৌতম আদানি আমেরিকায় ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছেন। তবে বর্তমান আইনি জটিলতার কারণে সেই বিনিয়োগ এগোতে পারছিল না। আর তারপরই ট্রাম্প প্রশাসন নিজেদের অভিযোগ তুলে নেওয়ার পদক্ষেপ নিল।

মাথায় রাখতে হবে, আদানি গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান গৌতম আদানির বিরুদ্ধে ২৬৫ মিলিয়ন ডলারের ঘুষ কাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন পেতে ভারতীয় সরকারি কর্তাদের ঘুষ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছিল অভিযোগকারীরা।

মার্কিন প্রসিকিউটরদের দাবি ছিল, আদানি ও তাঁর সহযোগীরা এই দুর্নীতির তথ্য গোপন রেখে ঋণদাতা ও বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩ বিলিয়নেরও বেশি ডলার তুলেছিলেন। যদিও আদানি গোষ্ঠী বরাবরই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

অন্যদিকে, মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে যে, ইরান থেকে আসা LPG সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা ভাঙার অভিযোগ মেটাতে আদানি এন্টারপ্রাইজেস ২৭৫ মিলিয়ন ডলার দিতে রাজি হয়েছে। মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, দুবাইয়ের একটি ট্রেডিং সংস্থার মাধ্যমে ওমান ও ইরাক থেকে এলপিজি আসছে বলে দাবি করা হলেও, সেই গ্যাস আসলে ইরান থেকে এসেছিল।

Advertisement


ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত গৌতম আদানির সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৮২ বিলিয়ন ডলার। আর সেই শিল্পপতিই এখন স্বস্তি পেলেন। পাশাপাশি দিলেন বড় বিনিয়োগের বার্তা। 

 

POST A COMMENT
Advertisement