Donald Trump Iran War: ইরান যুদ্ধ শেষ কবে? ফের বড় দাবি করলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধ যে একবারে শেষের পথে, সেটা আবার জানিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কথায়, 'তারা (ইরান) প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।'

Advertisement
ইরান যুদ্ধ শেষ কবে? ফের বড় দাবি করলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের দাবি
হাইলাইটস
  • ইরান যুদ্ধ একবারে শেষের পথে
  • সেটা আবার জানিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • 'তারা (ইরান) প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।'

ইরান যুদ্ধ যে একবারে শেষের পথে, সেটা আবার জানিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কথায়, 'তারা (ইরান) প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।'

যদিও যুদ্ধ যে এখনই থামছে না, সেটাও ট্রাম্পের বক্তব্যে পরিষ্কার। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'তার মানে এই নয় যে আমরা সঙ্গে সঙ্গে এটাকে (যুদ্ধ) শেষ করে দেব। কিন্তু তাদের কোনও নৌবাহিনী নেই। তাদের কোনও বিমানবাহিনী নেই… তাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বলেও কিছু নেই।' অর্থাৎ এই যুদ্ধে যে ইরানের অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছে, সেটা ঘোষণা করে দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও যুদ্ধ শেষের দিন নিয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছুই জানাননি। 

মাথায় রাখতে হবে ইরান যুদ্ধ নিয়ে মাঝে মধ্যেই নিজের মনের কথা ব্যক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু তাঁর কথা বারবার বদলে যাওয়াতেই যত বিপত্তি! এই যেমন কিছু দিন আগেই তিনি ঘোষণা করে দেন যে যুদ্ধ শেষ। আর সেই খবর শোনার পরই খুশির ঢেউ ওঠে বিশ্বে। সবাই শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে বলে আশা করেন। যদিও কিছুটা সময় যেতে না যেতেই একটি সাংবাদিক সম্মেলনে এসে উল্টো সুর গাইতে শুরু করেন ট্রাম্প।

তিনি জানান, যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। আরও কিছু দিন চলবে। তারপর আবার হতাশা ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বে। শেয়ারমার্কেট যে উত্তেজনা নিয়ে দিনটা শুরু করেছিল, সেটা শেষ হয়ে যায়। তাই আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্প যতক্ষণ না নিশ্চিত করে কিছু জানাচ্ছেন, ততক্ষণ কিছুই বলা যাবে না। 

তেলের দাম বেড়েই চলেছে
মাথায় রাখতে হবে, ইরান যুদ্ধের পর থেকে সারা পৃথিবীতেই বেড়েছে অস্থিরতা। তেলের দাম এবং গ্যাসের দাম চড়তে শুরু করেছে।

ইতিমধ্যেই ভারতেও অবস্থা হয়েছে খারাপ। এই দেশেও জ্বালানির সঙ্কটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও এমন পরিস্থিতিতে প্রথমেই ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্রের মোদী সরকার। তাঁদের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্য এড়িয়ে একাধিক দেশের সঙ্গে তেল এবং জ্বালানি নিয়ে কথা হচ্ছে। 

Advertisement

এমনকী রাষ্ট্রায়াত্ত তেল সংস্থাগুলিকে এলপিজি উৎপাদন বাড়ানোর দেওয়া হয়েছে পরামর্শ। ইতিমধ্যেই ১০ শতাংশ উৎপাদন বেড়েছে বলেও জানা গিয়েছে। এর মাধ্যমেই ঘরে ঘরে এলপিজি পৌঁছে দিতে চাইছে সরকার। 

যদিও কেন্দ্র যতই চেষ্টা করুক না কেন ইতিমধ্যেই গ্যাসের আকাল শুরু হয়ে গিয়েছে। বেঙ্গালুরু, মুম্বই সহ একাধিক শহরে বন্ধ হয়েছে রেস্তোরাঁ। কলকাতারও অবস্থা খারাপ। দ্রুত সাপ্লাই শুরু না হলে এখানেও একই পরিস্থিতি হবে। আর তাই নিয়ে কেন্দ্রের সরকারকে তোপ দেগেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

POST A COMMENT
Advertisement