তেহরানকে যুদ্ধ নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পেরতেহরানকে আল্টিমেটাম দিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার পরই এই কঠোর মনোভাব দেখালেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, "যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকলে ইরানের অস্তিত্ব থাকবে না।"
হুঁশিয়ারির পাশাপাশি টানা দ্বিতীয় দিন ইরানি মিসাইল ঘাঁটি লক্ষ্য করে স্ট্রাইকও করেছে আমেরিকা। তাদের দাবি, ইরান চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করায় এই সামরিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে। তবে এই হামলা ও পাল্টা হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে ফের একবার অশান্তি চরমে উঠেছে।
মার্কিন সেনার তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালীর কাছে ২০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল বহনকারী একটি পানামার তেল ট্যাঙ্কারকে লক্ষ্য করে ইরানের ড্রোন হামলার জেরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরপরেই মার্কিন বিমানগুলো ইরানের মিসাইল কেন্দ্র, ড্রোন মজুত কেন্দ্র এবং উপকূলীয় রাডার সিস্টেমে বোমা নিক্ষেপ করে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ-এ এ প্রসঙ্গে লেখেন, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের কারণে মার্কিন বিমান আবারও ইরানের টার্গেটে হামলা চালিয়েছে। ট্রাম্পের মতে, এমন এক সময় আসতে পারে যখন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনা করা আর সম্ভব হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, "যদি আমেরিকাকে সামরিক শক্তি দিয়ে অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে বাধ্য করা হয়, তবে তার ফল হবে ইরানের ধ্বংস।"
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সামরিক পদক্ষেপের সপক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, "ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। আমেরিকা সবসময়ই সেই চুক্তিকে সম্মান করে এসেছে। চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে ইরানের কোনও অভিযোগ থাকলে, তারা সরাসরি ফোনে আলোচনা করতে পারত।" তিনি কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন যে, ইরান যদি আলোচনার পথ ছেড়ে হামলা চালায়, তবে তাদের সহিংসতার জবাব সহিংসতা দিয়েই দেওয়া হবে।