হরমুজ আক্রমণ আমেরিকার১৮ দিনের যুদ্ধবিরতির পর আবার অস্থির মধ্যপ্রাচ্য। উইএই-তে ড্রোন অ্যাটাক করা হয়েছে। বাহারিনে রয়েছে রেড অ্যালার্ট। শুধু তাই নয়, হরমুজ প্রণালীর উপরও সঙ্কট তৈরি হয়েছে। ইরানের সেনা সূত্রে দাবি করা হয়েছে, আমেরিকার ফোর্স ইরানের দিকে মালপত্র বোঝাই দুই জাহাজের উপর আক্রমণ করেছে। তাদের দাবি, এটা খুবই সাধারণ একটি কার্গো বোট ছিল। এই জাহাজে আক্রমণের ফলে ৫ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।
ওই দিকে এই বিষয়টা নিয়ে নীরব রয়েছে আমেরিকা। বরং তারা হরমুজ প্রণালী থেকে কমার্শিয়াল জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার কাজে ব্যস্ত। আমেরিকার সেনার তরফে খবর, এই জলপথ দিয়ে দুই আমেরিকার জাহাজ পাশ করেছে। কোনও সমস্যা হয়নি।
অন্য দিকে ইরানের দাবি ছিল, তারা একটি আমেরিকার জাহাজের উপর আক্রমণ করেছে। যদিও সেই দাবি উড়িয়েছে আমেরিকা। এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে তারা।
ইউএই-এর ইনস্টলেশনে আক্রমণ
যুদ্ধ আবহে এমার্জেন্সি ডিক্লেয়ার করেছে বাহারিন। পাশাপাশি ইউএই জানিয়েছে, সোমবার তাদের রাষ্ট্রে হামলা চালিয়েছে ইরান। সেই হামলায় একটি তেল উত্তোলন কেন্দ্রে আগুন ধরে যায়। এরপরই আবার ব্রিটিশ মিলিটারি এমিরাতিতে কার্গো জাহাজে আক্রমণ চালানো হয়। আর এই ঘটনা সমানে আসার পরই দাম বাড়তে শুরু করে অপরিশোধিত তেলের। ৬ শতাংশ পর্যন্ত দাম বেড়েছে তেলের।
যদিও এই বিষয়ে ইরানের কোনও যোগ নেই বলে জানিয়ে দিলেন সেই দেশের বিদেশ মন্দির আব্বাস আরাগাছি। পাশাপাশি আমেরিকা এবং ইউএই-এর নিন্দাও করেন তিনি। তাঁর মতে, এই সমস্যার কোনও মিলিটারি সমাধান নেই। শুধুমাত্র কূটনীতির মাধ্যমেই এই সমস্যার সহজ সমাধান হতে পারে।
ও দিকে ইরানকে হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, আমেরিকার কোনও জাহাজে হামলা হলে পুরো ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এমন পরিস্থিতিতে আবার উত্তপ্ত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য। যুদ্ধ আবার নতুন করে শুরু হওয়ার শঙ্কা।