Netanyahu UN Speech: নেতানিয়াহুর ভাষণ শুরু হতেই রাষ্ট্রসঙ্ঘে ওয়াকআউট, ‘কাপুরুষ’ বলে কটাক্ষ

নেতানিয়াহু বলেন, 'এইমাত্র যেসব দেশের প্রতিনিধিরা এই সভাকক্ষ ছেড়ে গেলেন, ইজরায়েল তাদের অনেককেই রক্ষা করছে।' তিনি আরও বলেন, 'আপনারা জেনে রাখুন, তাদের অনেক নেতাই ব্যক্তিগতভাবে আমাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করার জন্য। এর চেয়ে বড় ভণ্ডামি কল্পনা করা কঠিন।'

Advertisement
নেতানিয়াহুর ভাষণ শুরু হতেই রাষ্ট্রসঙ্ঘে ওয়াকআউট, ‘কাপুরুষ’ বলে কটাক্ষনেতানিয়াহুর বলতে উঠলেই ওয়াকআউট
হাইলাইটস
  • নেতানিয়াহু বলেন, 'এইমাত্র যেসব দেশের প্রতিনিধিরা এই সভাকক্ষ ছেড়ে গেলেন, ইজরায়েল তাদের অনেককেই রক্ষা করছে।'
  • তিনি আরও বলেন, 'আপনারা জেনে রাখুন, তাদের অনেক নেতাই ব্যক্তিগতভাবে আমাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করার জন্য
  • এর চেয়ে বড় ভণ্ডামি কল্পনা করা কঠিন

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় ভাষণ দেওয়ার সময়ই বিপত্তি। তিনি উঠতেই অনেক কূটনীতিক সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। যার ফলে উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি।

আসলে নিউইয়র্কে তাঁর উপস্থিতি নিয়ে প্রতিবাদ চলছিল। পাশাপাশি, ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক নিয়ে ইজরায়েলের নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সমালোচনাও ক্রমশ বাড়ছিল। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় ভাষণ দেওয়ার সময় সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন অনেকে।

কূটনীতিকরা যখন একে একে সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন সেখানে থাকা কয়েকজন উঠে দাঁড়িয়ে হাততালি দেন। 

যাঁরা সভাকক্ষ ছেড়ে যাচ্ছিলেন, তাঁদের উদ্দেশে ভাষণের শুরুতেই কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, 'যদি এখনও এই সভাকক্ষে কোনও নৈতিকভাবে কাপুরুষ ব্যক্তি থেকে থাকেন, তাহলে দয়া করে এখনই বেরিয়ে যান।'

'ইরানে হামলার জন্য ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন'
এরপর বিরাট দাবি করেন নেতানিয়াহু। তিনি জানান, যে দেশগুলির প্রতিনিধিরা সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে কয়েকটি দেশের নেতাই নাকি ইরানের বিরুদ্ধে ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের জন্য ব্যক্তিগতভাবে ইজরায়েলকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন।

নেতানিয়াহু বলেন, 'এইমাত্র যেসব দেশের প্রতিনিধিরা এই সভাকক্ষ ছেড়ে গেলেন, ইজরায়েল তাদের অনেককেই রক্ষা করছে।'

তিনি আরও বলেন, 'আপনারা জেনে রাখুন, তাদের অনেক নেতাই ব্যক্তিগতভাবে আমাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করার জন্য। এর চেয়ে বড় ভণ্ডামি কল্পনা করা কঠিন।'

তাঁর কথায়, 'ইরানের পরমাণু পরিকাঠামো ধ্বংস করা কঠিন ছিল। খুবই কঠিন ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার কাছে এই সিদ্ধান্ত ছিল সহজ। কারণ, এটা না করলে আমরা সবাই মারা যেতাম।'

ব্রিটেন-ফ্রান্সকেও আক্রমণ নেতানিয়াহুর
ইজরায়েলের সমালোচনা করার জন্য ব্রিটেন ও ফ্রান্সকেও নিশানা করেন নেতানিয়াহু। দুই দেশ ইজরায়েলের বিরুদ্ধে 'ঔপনিবেশিকতা'-র অভিযোগ তুলেছে বলে দাবি করেন তিনি।

নেতানিয়াহু বলেন, 'ব্রিটেন ও ফ্রান্স ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ঔপনিবেশিকতা-র অভিযোগ করছে! ঈশ্বরের দোহাই, এই শব্দটাই তো তারাই তৈরি করেছে। আমাদের একটু রেহাই দিন।'

Advertisement

ইরানের আসন ছিল ফাঁকা
নেতানিয়াহুর যখন ভাষণ দিচ্ছেন, তখন ইরানের প্রতিনিধিরা সভাকক্ষে ছিলেন না। তাঁর পুরো ভাষণ চলাকালীন ইরানের আসনগুলি ফাঁকা ছিল। 

সিরিয়ার প্রেসিডেন্টকেও নিশানা
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারাকে গোলান মালভূমি নিয়ে নিশানা করেন নেতানিয়াহু।

নেতানিয়াহু বলেন, 'মিস্টার শারা, আপনার জানা উচিত, মোজেসের সময় থেকেই ইহুদিরা গোলান মালভূমিতে বসবাস করে আসছে। বাইবেলেই তা পড়তে পারেন।'

বুধবার রাষ্ট্রসংঘে দেওয়া ভাষণে শারা গোলান মালভূমিকে সিরিয়ার অংশ বলে দাবি করেছিলেন।

 

POST A COMMENT
Advertisement