Islamabad Talks: ইসলামাবাদে US-ইরান আলোচনা ব্যর্থ হল কেন? ৫ পয়েন্টে বুঝুন

পাকিস্তানের মধ্যস্থতা ফেল। অশান্তির জট কাটাতে ব্যর্থ হল ইরান-US। ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টা ধরে ম্য়ারাথন বৈঠক করেও লাভ হল না। কোনও চুক্তি ছাড়াই নিজ দেশে ফিরে গেল দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

Advertisement
ইসলামাবাদে US-ইরান আলোচনা ব্যর্থ হল কেন? ৫ পয়েন্টে বুঝুনকোনও চুক্তি ছাড়াই নিজ দেশে ফিরে গেল দুই দেশের প্রতিনিধিরা।
হাইলাইটস
  • পাকিস্তানের মধ্যস্থতা ফেল।
  • অশান্তির জট কাটাতে ব্যর্থ হল ইরান-US।
  • ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টা ধরে ম্য়ারাথন বৈঠক করেও লাভ হল না।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতা ফেল। অশান্তির জট কাটাতে ব্যর্থ হল ইরান-US। ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টা ধরে ম্য়ারাথন বৈঠক করেও লাভ হল না। কোনও চুক্তি ছাড়াই নিজ দেশে ফিরে গেল দুই দেশের প্রতিনিধিরা। বহু বছর পর এই প্রথম মুখোমুখি হল United States এবং Iran। কিন্তু এত বড় আয়োজনও কাজে এল না। কেন ভেস্তে গেল এই আলোচনা? সহজে ৫টি পয়েন্টে বুঝে নেওয়া যাক।

১) দুই পক্ষের অনড় অবস্থান
সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল; কেউই নিজের অবস্থান থেকে সরতে চায়নি। আমেরিকা চাইছিল, ইরান যেন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করে এবং ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। অন্যদিকে ইরান স্পষ্ট জানায়, তাদের কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। ফলে শুরু থেকেই দূরত্ব থেকেই গেল।

২) আলোচনার পরিবেশই ছিল উত্তপ্ত
শান্তি আলোচনার জন্য দরকার বিশ্বাস ও শান্ত পরিবেশ। কিন্তু বৈঠকের আগেই Donald Trump একাধিক হুমকি দেন। এমনকি যুদ্ধের ইঙ্গিতও দেন। ফলে ইরান মনে করে, আলোচনা নয়, চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়।

৩) লেবাননে হামলা বন্ধ না হওয়া
আলোচনার সময়ও Israel লেবাননে হামলা চালিয়ে যায়। ইরান চাইছিল এই হামলা বন্ধ হোক। কিন্তু তা হয়নি। ফলে ইরান আরও ক্ষুব্ধ হয় এবং আলোচনায় নরম হতে রাজি হয়নি। এতে সমঝোতার সম্ভাবনা কমে যায়।

৪) হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিরোধ
বিশ্বের তেল পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হল হরমুজ প্রণালী। আমেরিকা চাইছিল এটি দ্রুত খুলে দেওয়া হোক। কিন্তু ইরান এটাকে নিজেদের শক্তির জায়গা হিসেবে দেখছে। তারা আগে নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চায়। এই ইস্যুতেই সবচেয়ে বেশি জট তৈরি হয়।

৫) বিশ্বাসের অভাবই সবচেয়ে বড় কারণ
সবশেষে, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ইরান মনে করে, আমেরিকার প্রস্তাব একপেশে। আবার আমেরিকা মনে করে ইরান সময় নিচ্ছে। ফলে কোনও পক্ষই কাউকে বিশ্বাস করতে পারেনি।

Advertisement

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় যুদ্ধবিরতি আরও দুর্বল হয়ে পড়ল। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তেলের দাম ও বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

সব মিলিয়ে পরিষ্কার, সমস্যা যতদিন না মূল জায়গায় সমাধান হচ্ছে, ততদিন শুধু আলোচনা দিয়ে সমাধান সম্ভব নয়। ইসলামাবাদের এই বৈঠক সেই সত্যই আবার প্রমাণ করে দিল। 

POST A COMMENT
Advertisement