US Threatens Iran Again: 'তেল, ইউরেনিয়াম, দ্বীপ নিয়ে নেব...' ফের ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের, যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়বে?

চাইলেই ইরানের তেল নিয়ে নিতে পারেন। এমনকী দখল করতে পারে খড়গ দ্বীপ। এমনটাই দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফিনান্সিয়াল টাইমসের একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'যদি সত্যি বলতে হয়, আমার ইরানের তেল নিয়ে নিতে ভালই লাগবে।' আর ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরই আবার উত্তেজনা বাড়ছে গোটা বিশ্বে। যুদ্ধ পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়, সেটাই বুঝতে চাইছেন অনেকে। 

Advertisement
'তেল, ইউরেনিয়াম, দ্বীপ নিয়ে নেব...' ফের ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের, যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়বে?ফের ইরানকে হুমকি আমেরিকার
হাইলাইটস
  • চাইলেই ইরানের তেল নিয়ে নিতে পারেন
  • এমনকী দখল করতে পারে খড়গ দ্বীপ
  • এমনটাই দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

চাইলেই ইরানের তেল নিয়ে নিতে পারেন। এমনকী দখল করতে পারে খড়গ দ্বীপ। এমনটাই দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফিনান্সিয়াল টাইমসের একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'যদি সত্যি বলতে হয়, আমার ইরানের তেল নিয়ে নিতে ভালই লাগবে।' আর ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরই আবার উত্তেজনা বাড়ছে গোটা বিশ্বে। যুদ্ধ পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়, সেটাই বুঝতে চাইছেন অনেকে। 

আসলে রবিবার ফিনান্সিয়াল টাইমসে একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। সেখানেই তিনি জানান, ইরানের তেল নিয়ে নিতে তাঁর ভালই লাগবে। শুধু তাই নয়, খড়গ দ্বীপ দখল করে নিতেও পারেন তিনি বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। মাথায় রাখতে হবে, এই খড়গ দ্বীপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। এখান থেকে বিরাট পরিমাণে তেল রফতানি হয়। 

যদিও ভাল খবর হল, এত অদ্ভুত দাবির পরও কিছু স্বস্তির খবর শুনিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে কথা চলছে। পাকিস্তানের কূটনীতিকের মাধ্যমেও কথা হচ্ছে বলে জানান ট্রাম্প। আর এই ধরনের কথোপকথন যে খুব ভাল দিকেই এগচ্ছে, সেটাও জানিয়ে দেন প্রেসিডেন্ট।

ইউরেনিয়ামের জন্য মিলিটারি অপারেশন
ইরানের কাছে যে ইউরেনিয়াম রয়েছে, এটা মোটামুটি সকলেই জানেন। আর সেটাই আমেরিকা এবং ইজরায়েলের কাছে মাথা ব্যথার কারণ। সেই কারণেই এই ইউরেনিয়াম দখলের কাজে নেমে পড়তে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। 

এই বিষয়ে সেই দেশের শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিকা জানাচ্ছেন, ১০০০০ পাউন্ড ইউরেনিয়াম দখলের জন্য ট্রাম্প সেই দেশে সেনা অভিযান চালাতে পরেন। এই অভিযান ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এই অপারেশনের জন্য ইরানের ভিতরে কিছুদিনের জন্য থাকতে হতে পারে আমেরিকার সেনাকে। 

যদিও এই অপারেশন হচ্ছেই, এমন নিশ্চয়তা নেই। কারণ, ট্রাম্প এখনও কিছুই জানননি। যদিও তিনি যে কোনও মুহূর্তে গ্রিন সিগন্যাল দিতে পারেন বলে দাবি করা হয়েছে। 

'২০টি তেল বোঝাই জাহাজ...'
এই সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, পাকিস্তানের পতাকা লাগানো তেলের ট্যাঙ্কার ছেড়ে দেবে ইরান। এই সব জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দেওয়া হবে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার ঘালিবাফ এই বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছেন। সেই মতো ট্রাম্প বলেন, 'আগামিকাল সকাল থেকে ২০টি বিরাট বড় তেলের ট্যাঙ্কার হরমুজ পেরিয়ে আসবে।'

Advertisement

খুব সহজেই দখল করে নিতে পারে
ট্রাম্পের মতে, খড়গ দ্বীপে তেমন একটা সিকিউরিটি নেই। এমন পরিস্থিতিতে যে কোনও সময় তা আমেরিকা নিয়ে নিতে পারে।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement