Advertisement

Berlin: বার্লিনের Pride Marchএ Attackর পিছনেও Islamic State! এবার পরের টার্গেট কোথায়?

ইউরোপের উদারনৈতিক আকাশ আজ আর আগের মতো নীল নেই, সেখানে জমা হয়েছে বারুদের কালো ধোঁয়া আর রক্তে ভেজা আতঙ্কের মেঘ। খ্রিষ্টীয় বিশ শতকের সবচেয়ে বড় অর্জন—ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, বহুত্ববাদ এবং মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রতীক জার্মানির যে বার্লিন শহর, সেই রাজধানী শহরই শনিবার, ২৫ জুলাই রাতে এক পৈশাচিক সন্ত্রাসের সাক্ষী থাকল। ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ এবং বর্ণাঢ্য এলজিবিটিকিউ+ (LGBTQ+) প্রাইড উৎসব তথা ক্রিস্টফার স্ট্রিট ডে (Christopher Street Day) উদযাপনের আনন্দের আবহ মুহূর্তের মধ্যে নরকে পরিণত হলো। সুপ্রসিদ্ধ ব্রান্ডেনবার্গ গেটের (Brandenburg Gate) নিকটবর্তী ঐতিহাসিক টিয়ারগার্টেন (Tiergarten) পার্কের চত্বরে যখন শত শত আনন্দমুখর মানুষ উল্লাসে মেতেছিলেন, ঠিক তখনই একটি ঘাতক সাদা ভ্যান আচমকা ফুটপাতে জমায়েতের উপর দিয়ে পিষে দিয়ে চলে যায়। শুধু গাড়ি চাপা দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, সেই ঘাতক গাড়িটি একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খাওয়ার পর চালক বা হামলাকারী সজোরে নেমে পড়ে হাতে ধারালো অস্ত্র—মেশেটে নিয়ে নির্বিচারে সাধারণ মানুষের উপর চড়াও হয়। এই রক্তক্ষয়ী হামলায় ঘটনাস্থলেই এক মহিলার মৃত্যু হয় এবং অন্তত ২৯ জন মানুষ গুরুতর জখম হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। জার্মানির অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ড্ট (Alexander Dobrindt) অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন যে, এই পাশবিক হামলা কোনও সাধারণ অপরাধমূলক ঘটনা নয়—এটি নিখাদ এবং সুপরিকল্পিত একটি ইসলামিক চরমপন্থী সন্ত্রাসী আক্রমণ। এই মর্মান্তিক ঘটনা কেবল জার্মানি বা ইউরোপের সীমান্তকেই কাঁপিয়ে দেয়নি, বরং বিশ্ব ভূরাজনীতির মানচিত্রে অভিবাসন নীতি, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং ধর্মান্ধতার দাপাদাপি নিয়ে এক বিরাট ও প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিয়েছে।

Terror attack at Berlin Christopher Street Day turns pride festival into nightmare

TAGS:
Advertisement