'বিহার-উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দাদের ভোটার করার চেষ্টায় ফর্ম সিক্স ঢোকাচ্ছে কমিশন', দাবি অভিষেকের

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর দাবি,  ফর্ম-৬ ভর্তি বস্তা নিয়ে সোমবার কমিশনে ঢুকেছিলেন বিজেপির লোকজন।

Advertisement
বিহার-উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দাদের ভোটার করার চেষ্টায় ফর্ম সিক্স ঢোকাচ্ছে কমিশন: অভিষেক নির্বাচন কমিশনের অফিসে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়
হাইলাইটস
  • নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের
  • তাঁর দাবি,  ফর্ম-৬ ভর্তি বস্তা নিয়ে সোমবার কমিশনে ঢুকেছিলেন বিজেপির লোকজন

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর দাবি,  ফর্ম-৬ ভর্তি বস্তা নিয়ে সোমবার কমিশনে ঢুকেছিলেন বিজেপির লোকজন। লক্ষ্য বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যের বাসিন্দাদের বাংলার ভোটার করা। 

সোমবার সন্ধেয় CEO মনোজকুমার আগরওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, 'আমরা হাতেনাতে ধরেছি। প্রায় ৩০ হাজার ফর্ম ৬ জমা দিয়ে বিহার, উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দাদের এখানকার ভোটার তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা হয়েছে।' 

অভিষেক জানান, ফর্ম সিক্স জমা করা হয়েছে CEO-র অফিসে। তাঁর দাবি, 'আমাদের কিছু শুভাকাঙ্খি আছে। তাঁরা আমাকে এই তথ্য জানিয়েছে। এই অফিসের দোতলায় পেটি পেটি ফর্ম সিক্স রাখা রয়েছে। আমি তা ট্যুইটারে দিয়েছি। গত ৬-৭ ঘণ্টায় প্রায় ৩০ হাজার ফর্ম সিক্স, যারা বাংলার ভোটার নয়, বিহার-উত্তরপ্রদেশে নাম আছে, দ্বিতীয় দফার বিধানসভার জন্য ফর্ম সিক্স জমা পড়েছে।' 

তাঁর দাবি, নোয়াপাড়া বিধানসভায় ৬৫০-৭০০ ফর্ম সিক্স জমা পড়েছে। ব্যারাকপুর , পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা, উত্তর কলকাতায় তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ফর্ম জমা পড়েছে। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ৩০ হাজার ফর্ম ৬ জমা পড়লে প্রায় ৬০০ জনকে সশরীরে এই অফিসে আসতে হয়। 

এরপরই অভিষেক সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি করেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার ফুটেজ প্রকাশের দাবি জানানো হয়েচে নির্বাচন কমিশনের কাছে। তবে CEO মনোজ আগরওয়াল কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। 

ফর্ম সিক্স বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে তুলবেন বলেও দাবি করেন অভিষেক। জানান, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছেন, তিনি জানেন না অফিসে কোথায় সিসিটিভি আছে, অথচ বাংলার ৮০ হাজার বুথে সিসিটিভি লাগাতে চান। গোটা বিষয়টা সুপ্রিম কোর্টে জানানো হবে। 

 

POST A COMMENT
Advertisement