Adhir Ranjan Chowdhury: সেই বিধানসভার লড়াইয়ে প্রত্যাবর্তন, বহরমপুর থেকে জিতে 'ফেরার' চেষ্টা অধীরের

বিধানসভার লড়াইয়ে অধীররঞ্জন চৌধুরি(Adhir Ranjan Chowdhury)। বহরমপুর কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। লোকসভা ভোটে পরাজয়ের পর এ বার রাজ্য রাজনীতির ময়দানে নতুন করে লড়াই শুরু করতে চলেছেন তিনি।

Advertisement
সেই বিধানসভার লড়াইয়ে প্রত্যাবর্তন, বহরমপুর থেকে জিতে 'ফেরার' চেষ্টা অধীরেরলোকসভা ভোটে পরাজয়ের পর এ বার রাজ্য রাজনীতির ময়দানে নতুন করে লড়াই শুরু করতে চলেছেন তিনি।
হাইলাইটস
  • বিধানসভার লড়াইয়ে অধীররঞ্জন চৌধুরি।
  • বহরমপুর কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে কংগ্রেস।
  • লোকসভা ভোটে পরাজয়ের পর এ বার রাজ্য রাজনীতির ময়দানে নতুন করে লড়াই শুরু করতে চলেছেন তিনি।

বিধানসভার লড়াইয়ে অধীররঞ্জন চৌধুরি(Adhir Ranjan Chowdhury)। বহরমপুর কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। লোকসভা ভোটে পরাজয়ের পর এ বার রাজ্য রাজনীতির ময়দানে নতুন করে লড়াই শুরু করতে চলেছেন তিনি।

রবিবার কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকায় বহরমপুরে অধীরের নাম সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরে মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের মুখ ছিলেন অধীর। ফলে তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে জল্পনা।

লোকসভা থেকে বিধানসভায়
১৯৫৬ সালের ২ এপ্রিল জন্ম অধীররঞ্জন চৌধুরীর। রাজনীতিতে তাঁর যাত্রা শুরু রাজীব গান্ধীর(Rajiv Gandhi) আমলে কংগ্রেসে যোগদানের মাধ্যমে। প্রথম দিকে একাধিক বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। ১৯৯১ সালে নবগ্রাম কেন্দ্র থেকে প্রথম বিধানসভা ভোটে লড়লেও জিততে পারেননি। তবে ১৯৯৬ সালে একই কেন্দ্র থেকে জিতে রাজ্য রাজনীতিতে নিজের জায়গা পাকা করে নেন।

এরপর ১৯৯৯ সালে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতে জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ। টানা ২৫ বছর, অর্থাৎ ১৯৯৯ থেকে ২০২৪; এই দীর্ঘ সময়ে বহরমপুরের সাংসদ ছিলেন তিনি। এই সময়েই তিনি কংগ্রেসের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন।

দিল্লির রাজনীতি থেকে বাংলার মাটিতে
অধীররঞ্জন চৌধুরী শুধু সাংসদই নন, জাতীয় স্তরেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত লোকসভায় কংগ্রেসের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করেছেন।

পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি হিসেবেও দু’দফায় দায়িত্বে ছিলেন। মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস সংগঠন শক্তিশালী করার পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা রয়েছে বলেই মনে করে রাজনৈতিক মহল।

২০২৪-এর ধাক্কা 
২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বড় ধাক্কা খেতে হয় অধীরকে। তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানের(Yusuf Pathan) কাছে ৮৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হন। এই পরাজয়ের পরই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দেন।

Advertisement

সেই পরাজয়ের পর অনেকেই মনে করেছিলেন, অধীররঞ্জনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ হয়তো অনিশ্চিত। কিন্তু ২০২৬ বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়ে ফের একবার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন।

বহরমপুরে 
বহরমপুর দীর্ঘদিন ধরেই কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেই জায়গা থেকেই আবার লড়াই শুরু করছেন অধীর। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে তাঁর অভিজ্ঞতা বড় ভূমিকা নিতে পারে।

লোকসভা ভোটের পরাজয়ের ক্ষত কাটিয়ে তিনি কি বিধানসভা ভোটে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন? নাকি রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক সমীকরণ তাঁর চলার পথ আরও কঠিন করে তুলবে? তার উত্তর সময়ই দেবে। 

POST A COMMENT
Advertisement