প্রথম তালিকায় ৫ জেলায় লড়ছে AIMIMঅল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন (AIMIM)-এর সভাপতি আসাদুদ্দিন ওয়েইসি আগেই জানিয়েছেন, দলটি আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP)-র সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। জোটের পর পয়লা এপ্রিল যৌথ সভাও করেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি ও হুমায়ুন কবীর। মুর্শিদাবাদের নওদায় মিম ও জনতা উন্নয়ন পার্টির যৌথ সভা থেকে মোদী-মমতাকে এক সারিতে বসিয়ে তীব্র আক্রমণ শানান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। এবার বাংলার জন্য দলের প্রথম প্রার্থী তালিক প্রকাশ করল মিম।
প্রথম তালিকায় ১২টি কেন্দ্রের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে মিম। রঘুনাথগঞ্জ, আসানসোল উত্তর, কান্দি, সুজাপুর, মোথাবাড়ি, নলহাটি, মুরারই, বারাসত, করণদিঘি, সূতি, বসিরহাট দক্ষিণ ও হাবড়ায় লড়াই করবে মিম।
Mubarakbad AIMIM West Bengal ke tamam umeedwaron ko.
— AIMIM (@aimim_national) April 3, 2026
Insha Allah yeh sirf election nahi, apni siyasi pehchan ki ladai hai. Ladenge bhi, Jeetenge bhi.
AIMIM releases its first list of candidates for West Bengal Assembly Elections.@asadowaisi @AadilHasanAdv1 @imraansolanki pic.twitter.com/xux6VegLOt
সম্প্রতি তৃণমূল-বিজেপির বিরুদ্ধে সেটিংয়ের অভিযোগেও সরব হয়েছেন মিম প্রধান। রাজ্যে এসে ওয়েইসি বলেন, 'আপনারা ভাল করে এটা ভেবে দেখুন, আমাদের গুরুজনরা কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছিলেন, তাতে আমাদের কোনও লাভ হয়েছে ? আমাদের ছেলে-মেয়েরা চাকরি পেয়েছে ? তারপরে আমরা বামফ্রন্টের পাশে দাঁড়াই। তাতে বাংলার মুসলিম সংখ্যালঘুদের কী লাভ হল ? না আমাদের পরিস্থিতি বদলেছে, না আমরা চাকরি পেয়েছি ! তারপরে আপনারা তৃণমূলকে ১৫ বছর ভোট দিলেন। বলুন, তৃণমূল এমন কোনও কাজ করেছে যাতে মুসলিমদের লাভ হয় ? মমতা-মোদি ভাই-বোনের মতো, এদের ভরসা করা যায় না।'
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে মিমের সঙ্গে জোট করে ইতিমধ্যেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। রাজ্যে ১৮২টি আসনে লড়াই করছে হুমায়ুনের দল। সম্প্রতি দলের ইস্তাহারও প্রকাশ করেছেন হুমায়ুন। সেখানে বিশেষ ভাবে মুর্শিদাবাদের জন্য কিছু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ওই জেলায় বিমানবন্দর তৈরি, বিদুপাড়া থেকে লোকনাথপুর সেতু, ডোমকলে বেশ কয়েকটি ফেরিঘাট সেতু, লোহাদহ ঘাট সেতু তৈরির মতো পদক্ষেপ। সংখ্যালঘু, আদিবাসী, দলিত শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি, ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ‘স্বাস্থ্যসাথী’, কন্যা সন্তান জন্মালে এককালীন ২০ হাজার ও ‘মাতৃ সম্মান’ হিসাবে মাসে ৩৫০০ টাকা দেওয়া, আদিবাসী ও দলিত শিল্পোদ্যোগীদের ‘স্টার্ট আপে’ অনুদান, আধুনিক সেচ ব্যবস্থা, ১০০টি সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠান তৈরি, পরিযায়ী শ্রমিক কল্যাণে নানা পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। হুমায়ুন বলেছেন, “বাংলার শোষিত, বঞ্চিত এবং মেহনতি মানুষের স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার নিয়েই আমাদের ইস্তাহার।” সেই সঙ্গে হুমায়ুনরা স্লোগান তুলেছেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না, আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি।’