সিউড়িতে মোদীর জনসভাবাংলায় ২০২৬ বিধানসভার ভোটের আগে দিনরাত এক করে প্রচার করছে বিজেপি। আর এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি আজ তিনটি জনসভা করবেন বলে খবর। আজ তিনি ৩ জেলার ৩টি জায়গায় জনসভা করবেন। সকালে তমলুকে জনসভা রয়েছে। তারপর আসানসোলের পোলো গ্রাউন্ডে আবার জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। শেষে বীরভূমের সিউড়িতে সভা করবেন।
বিজেপি সূত্রে খবর, এই সব সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দুর্নীতি থেকে শুরু করে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সুর চড়াতে পারেন। পাশাপাশি রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন হলে উন্নয়নের রূপরেখা কেমন হবে, সেটাও জানাতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। তবে শুধু আজই নয়, আবার শনিবার বাংলায় আসবেন মোদী। সেই দিন তিনি কৃষ্ণনগর, জিয়াগঞ্জ ও কুশমণ্ডতি সভা করবেন।
তবে পরের কথা পরে হবে। আজ অবশ্যই রাজনৈতিক সচেতন মানুষদের নজরে থাকবে মোদীর ৩ সভা। এই ৩ সভায় তিনি কী বলেন, কীভাবে তৃণমূলের দিকে আক্রমণ শানান, সেটাই বিজেপির ভোট ভবিষ্যতের অনেকটাই ঠিক করে দেবে। আর এই বিষয়ে লাইভ আপডেট পেতে আমাদের পেজে চোখ রাখুন।
প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, "বাংলার জন্য আমি অনেক কিছু করতে চাই। সবকা সাথ, সবকা বিকাশ। আর বাংলাকে যারা লুটেছে, তাদের ধরে ধরে সব হিসেব নেব।"
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "PM শব্দটাই ওদের পছন্দ না। PM ফসল বিমা যোজনা এখানে থাকলে বাংলার চাষিদের ক্ষতির মুখে পড়ত হত না। কিন্তু এখানকার CM তো PM নামটাই পছন্দ করে না। যে প্রকল্পগুলিতে PM লেখা কোনওটাই ওদের পছন্দ না। তাই বাংলায় বিজেপির CM বানান।"
আলু চাষ নিয়ে মোদী বলেন, "বীরভূমের আলু-পোস্ত নিয়ে চর্চা হয়। তৃণমূলের নির্মমতা আলু চাষ ধ্বংস করছে। চাষিরা আত্মহত্যা করছে। তৃণমূলের এই বিশ্বাঘাতকতার শাস্তি পাওয়া উচিত। বিজেপি এলে বাংলায় কৃষকদের জন্য নয়া FPO তৈরি করা হবে। "
তিনি বলেন, "খড়গপুর-মোরগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে, সিউড়ি রেলস্টেশনে যোগাযোগ মসৃণ হয়েছে। তৃণমূল ৭৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প আটকে রেখেছে। ডবল ইঞ্জিন সরকার হলেই এই সমস্ত প্রকল্পে কাজ হবে। বীরভূমে ছোট-বড় সমস্ত উদ্যোগের রাস্তা খুলবে।"
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "পশ্চিমবঙ্গে চাকরি লুঠের খেলা চলছে। শিক্ষক নিয়োগ হাজার পরিবারের স্বপ্ন ভঙ্গ করেছে। আশঙ্কায় ভরিয়েছে। ভারত আজ সামরিক ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ড তৈরি করছে। দেশ হাতিয়ার রফতানি করছে, আর তৃণমূল কাঁচা বোমা বানাচ্ছে ওলিগলিতে। বীরভূমে তৃণমূলের সমর্থকদের বাড়ি থেকে বোম পাওয়া গেছে। ওরা বোমাকে কুটির শিল্প বানিয়ে দিয়েছে।"
শিক্ষা প্রসঙ্গে মোদী বলেন, "বাংলায় শিক্ষায় চরম দুর্দশা। শিক্ষকদের বেতন নেই। স্কুল এক এক করে বন্ধ হচ্ছে। যেখানে স্কুল বন্ধ, ভবিষ্যত বন্ধ, বাংলা চায় ভয় নয়, ভরসা।"
PM মোদী বলেন, "আরজি কর মেডিকেল কলেজেও তাই হয়েছিল। ডাক্তার তরুণীকে আমাদের থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এই নির্বাচন আমাদের মেয়ের সুরক্ষার জন্য। ভয় নয়, ভরসা চাই। মা-বোনেদের সম্মান চাই। প্রত্যেক মহিলাদের সমস্ত সুবিধা বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে দেওয়া হয়। বাংলা বিজেপিও মা-বোনদের জন্য অনেক ঘোষণা করেন। এসব ঘোষণাও লাগু হবে, এটা মোদীর গ্যারান্টি।"
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান প্রসঙ্গে PM মোদী বলেন, "রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এখানে এসেছিলেন। রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করা আপনার দায়িত্ব। অহংকারী তৃণমূল সরকার দেশের রাষ্ট্রপতিকেও তুচ্ছ ভাবেন। কারণ তিনি আদিবাসী? এজন্য অপমান করেন? এটি দেশের সব আদিবাসীর জন্য অপমান।"
মালদায় বিচারক ঘেরাও প্রসঙ্গে মোদী বলেন, "রামপুরহাটের কী অবস্থা রোজ দেখছেন। মালদায় ক'দিন আগে কী হয়েছে সকলেই দেখেছে। SIR-এর কাজে থাকা বিচারকদের ঘেরাও করে নেয়। বাংলার মানুষকে মুক্তি দেওয়া জরুরি।"
PM মোদী বলেন, "বাংলায় বিজেপির সরকার হলেই অনুপ্রবেশকারীদের যারা ঢোকাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে। এটা আমার গ্যারান্টি। যে যতই শক্তিশালী হোক, তাদের চিহ্নিত করা হবে। অনুপ্রবেশকারীদের উপড়ে দেব আর যারা ঢোকাচ্ছে তাদের জেলে ভরব।"
বীরভূমের সিউড়ির জনসভায় PM মোদী বলেন, "বগটুইতে যা হয়েছিল তা মানবতার কলঙ্ক। নির্দোষ মহিলা ও বাচ্চাদের জ্যান্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়, এটি মহাজঙ্গলরাজ নয়তো কী!"
আসানসোলে প্রধানমন্ত্রী: কিছু জায়গায় ডেমোগ্রাফি এমন বদলে গিয়েছে যে মানুষ মন্দিরে যেতে পারছে না। খালি দুর্গাপুজোর সময়ই পুজোর অনুমতি দেয়। বাংলায় অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দিয়ে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
আসানসোলে প্রধানমন্ত্রী: মালদার ঘটনা তৃণমূলের মহা জঙ্গলরাজের কফিনে শেষ পেরেক। এই পোখরাহাটেই এখন তৃণমূল সিআরপিএফ-কে গালি দিচ্ছে। এর জবাব বাংলার মানুষ দেবেন।
আসানসোলের মঞ্চে ফের নারী নিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আরজি কর, সন্দেশখালির প্রসঙ্গ তুলে বললেন, 'এ রাজ্যে মহিলাদের সুরক্ষা নেই। শাসকদল বারবার নির্যাতনকারীদেরই পাশে দাঁড়িয়েছে।'

আসানসোলে প্রধানমন্ত্রী: এখানে পানীয় জল, রাস্তা, যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষ চিন্তিত। এখানে দূষণও বেশি। কারখানায় নিয়ম মানা হচ্ছে না। অনেক জায়গায় জমি ধস হচ্ছে অবৈধ খননের কারণে।
আসানসোলে প্রধানমন্ত্রী: একসময় দেশের ১০০ ভাগ আয়ের মধ্যে ১২ ভাগই আসত বাংলা থেকে। আর আজ দেশের আয়ের বাংলার অংশ মাত্র ৫ ভাগ। আপনারা তৃণমূলের উপর ভরসা করেছিলেন। কিন্তু TMC বাংলার সঙ্গে নির্মমতা করেছে।

কয়লা মাফিয়া, বালি মাফিয়ার রাজ চলছে। বাংলার মানুষ এতে অত্যিষ্ঠ। আসানসোল আর দুর্গাপুরের এই গোটা এলাকা এক সময় বাংলার উন্নয়নের একটি কেন্দ্র ছিল। আজ সেখান থেকে ক্রমেই শিল্পের পলায়ন হচ্ছে।
আসানসোলে প্রধানমন্ত্রী: বাংলায় তৃণমূলের পাপের ঘটি পূর্ণ হয়েছে। বাংলায় পরের সরকার ডবল ইঞ্জিন সরকার হবে। ৪ মে-র পর বাংলা উন্নয়নের এক নতুন যুগে প্রবেশ করবে।
আসানসোলে প্রধানমন্ত্রী: 'আসানসোলের পূণ্যভূমিতে আপনাদের সবাইকে আমার প্রণাম,' বাংলায় বক্তব্য শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী।
আসানসোলে শমীক ভট্টাচার্য্য: আসানসোলে শিল্পায়ন ফেরানোর জন্য বাংলায় বিজেপি-কে আনতে হবে। এই লড়াই আপনার পরবর্তী প্রজন্ম ও ভবিষ্যতের স্বার্থে।

আজ ছয় গ্যারেন্টি দিলেন মোদী। প্রথমত, ভয়ের জায়গায় ভরসা দেওয়া হবে। দ্বিতীয়ত, বিজেপি সরকারের মধ্যে সরকারি সিস্টেম জনতাকে জবাব দেবে। তৃতীয়ত, প্রতিটি দুর্নীতির, রেপ কেসের ফাইল খুলবে। চতুর্থত, তৃণমূলের রাজের সময় যেই সকল দুর্নীতি হয়েছে, তাঁর জায়গা হবে জেলে। মন্ত্রী হোক বা যেই হোক, আইন সবার হিসেব করবে। তৃণমূলের কোনও গুণ্ডাকে ছাড়া হবে না না। পয়সা খেতে দেওয়া হবে না। পঞ্চমত, যাঁরা শরণার্থী তাঁদের সব অধিকার মিলবে। অন্যদিকে অনুপ্রবেশকারীদের বের করা হবে। ষষ্ঠ গ্যারান্টি, বাংলার বিজেপি ক্ষমতায় এলে সপ্তম পে কমিশন লাগু হবে। এটাও হল গ্যারান্টি।
দোষীদের শাস্তি দিতে পারছে না তৃণমূল। এই আমলে কন্যারা সুরক্ষিত নয়। ডাক্তার, উকিল হওয়ার পরও নারীরা সুরক্ষিত নয়। স্কুলেও বাচ্চারা সুরক্ষিত নয়। তৃণমূল সরকার গুণ্ডাদের প্রোটেকশন দেয়, দাবি মোদীর।
ডাবল ইঞ্জিন সরকার বাংলায় খুব দরকার। এই সরকার বাংলাকে এগিয়ে দেবে। মাছ চাষে এগিয়ে দেবে, দাবি প্রধানমন্ত্রী মোদীর।
PM শব্দকে পছন্দ করে না তৃণমূল। তাই PM নাম বাদ দিয়ে। আয়ুষ্মান ভারত, পিএম জনআরোগ্য যোজনার মতো প্রকল্প এখানে লাগু হতে দেয় না, জানালেন প্রধানমন্ত্রী।
PM মোদী: বাংলায় মাছের এত চাহিদা, কিন্তু এ রাজ্য মৎস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর নয়। চাহিদা মেটাতে অন্য রাজ্য থেকে আমদানি করতে হয়। গত ১৫ বছরে মৎস্য উৎপাদনে তৃণমূল সরকার উদ্যোগই নেয়নি।
এখানে বিজেপি সরকার এলেনিয়মিত রোজগার মেলা হবে। সময়ে সময়ে হবে চাকরির পরীক্ষা হবে, এমনটাই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
মোদী বললেন, 'দেশ এগোচ্ছে কিন্তু নির্মম সরকার বাংলাকে পিছিয়ে দিয়েছে। হলদিয়ার কারখানায় তালা ঝুলছে।' বিজেপি এলে রোজগার মেলা হবে, আশ্বাস মোদীর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী: যেখানেই বিজেপি এনডিএ-র সরকার আছে, সেখানেই রোজগারের সুযোগ পাচ্ছেন। এখানেও বিজেপির সরকার এলে রোজগারের বিষয়ে উদ্য়োগ নেওয়া হবে।
'বিজেপি সরকার সংবিধান মেনে কাজ করবে। যার যেটা অধিকার, সেটা তাঁকে দেওয়া হবে। এটা মোদীর গ্যারান্টি। তৃণমূলের চিটিংবাজি, দুর্নীতি বন্ধ করবে বিজেপি', বললেন নরেন্দ্র মোদী
TMC সিন্ডিকেটের গুণ্ডারাজ চালিয়েছে। এখানে কাটমানি ছাড়া কিছুই চলে না। ফ্যাক্টরিও কাটমানি ছাড়া চলতে পারে না, এমনটাই অভিযোগ মোদীর। তাই তিনি বিজেপি সরকার আনার পক্ষে সওয়াল করলেন।
হলদিয়ায় প্রধানমন্ত্রী মোদী: আগে অন্য রাজ্য থেকে বাংলায় লোকে কাজ করতে আসত। আর আজ বাংলার যুবসমাজ জীবিকার সন্ধানে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন। বাংলার TMC সরকার তাঁদের বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করে না।
'দেশের অনেক রাজ্য আজ এগিয়ে গিয়েছে। কিন্তু TMC-এর নির্মম সরকারকে বাংলাকে পিছনে ফেলছে। এক সময় এই বাংলা ছিল ভারতের প্রগতির সূচক ছিল। এই বাংলা একসময় ম্যানুফাকচারিংয়ের উপরের দিকে ছিল। সেই বাংলাকে তৃণমূল সরকার অনেকটাই নীচে নামিয়ে এনেছে।' বললেন মোদী।
‘পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে যা হয়েছিল, এ বার ভবানীপুরে তা হবে, গোটা বাংলায় হবে’, হলদিয়ার সভায় বললেন মোদী
নন্দীগ্রামে যেই হাল হয়েছিল, সেটা এবার ভবানীপুরেও হবে। এখান থেকেই হবে পরিবর্তন শুরু হবে। দাবি প্রধানমন্ত্রী মোদীর।
৫ বছর আগে নন্দীগ্রাম পথ দেখিয়েছিল। যে ঘটনা সে বার নন্দীগ্রামে ঘটেছিল, এবার তা ভবানীপুরেও হবে। গোটা বাংলায় তা হবে। কারণ বাংলার এই ভোট সামান্য ভোট নয়। মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
বাংলা সব ধরনের বিপরীত পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করতে পারে। আজকের সভায় এটা দেখা যাচ্ছে। এটা TMC-যাওয়ার একটা সংকেত, বললেন নরেন্দ্র মোদী।
শুভেন্দু অধিকারী এদিন হলদিয়ার ম়ঞ্চে নিজের ভাষণে বলেন, 'আমার নেতা নরেন্দ্র মোদী আমায় বলেছেন, নন্দীগ্রামে জিততে হবে। সঙ্গে এ-ও নির্দেশ দিয়েছেন, ভবানীপুরে যেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করি। আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন মোদীজি, আপনার কথা আমি রাখব।'
হলদিয়ার জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্বাগত জানালেন শুভেন্দু অধিকারী। দেখুন সেই মুহূর্তের ছবি।

হলদিয়ার জনসভামঞ্চে প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে স্বাগত জানাচ্ছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। আজ ৩ জায়গায় সভা করবেন মোদী।
হলদিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার জন্য নির্ধারিত সময় ছিল সকাল সাড়ে ৯টা। সাড়ে ১১টা নাগাদ মোদীর মঞ্চে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু হলদিয়ার বিস্তীর্ণ অংশে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। সভাস্থলের কিছু জায়গায় জল জমে যায়। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মোদীর বিমান এখন কলাইকুণ্ডায় অবতরণ করতে পারেনি।
ময়নাগুড়িতে ভোটের প্রচার সেরে BJP-র সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয় হচ্ছে, এটা নিশ্চিত।'
কলাইকুণ্ডা বিমানবন্দরে পৌঁছে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই পৌঁছবেন হলদিয়ার সভায়। আপাতত সেখানে বক্তব্য রাখছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
শনিবার আবার পশ্চিমবঙ্গে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওইদিন কৃষ্ণনগর, জিয়াগঞ্জ ও কুশমণ্ডিতে সভা করবেন বলে জানা যাচ্ছে।
আজ সকাল ১১.৩০ মিনিটে তমলুকে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তারপর ১টা ৪৫ মিনিটে তিনি আসানসোলে সভা করবেন। এরপর বীরভূমে তিনি ৩.৩০ মিনিটে সভা করবেন জানা যাচ্ছে বিজেপি সূত্রে।