Mamata Banerjee: বঙ্গ রাজনীতিতেও 'ঘোড়া কেনাবেচা'? মমতার মন্তব্যে বড় ইঙ্গিত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও কি 'ঘোড়া কেনাবেচা' হতে পারে? রাজনৈতিক ভাষায় হর্স ট্রেডিং! তেমনই ইঙ্গিত দিলেন খোদ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে যাতে তৃণমূলের জয়ী বিধায়করা বিজেপি-তে যোগ দেন, তার জন্য নাকি বিজেপি এখন থেকেই হুমকি দিচ্ছে। এমনই গুরুতর অভিযোগ মমতার।

Advertisement
বঙ্গ রাজনীতিতেও 'ঘোড়া কেনাবেচা'? মমতার মন্তব্যে বড় ইঙ্গিতমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
হাইলাইটস
  • পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও কি 'ঘোড়া কেনাবেচা' হতে পারে?
  • তেমনই ইঙ্গিত দিলেন খোদ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
  • বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে যাতে তৃণমূলের জয়ী বিধায়করা বিজেপি-তে যোগ দেন, তার জন্য নাকি বিজেপি এখন থেকেই হুমকি দিচ্ছে

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও কি 'ঘোড়া কেনাবেচা' হতে পারে? রাজনৈতিক ভাষায় হর্স ট্রেডিং! তেমনই ইঙ্গিত দিলেন খোদ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে যাতে তৃণমূলের জয়ী বিধায়করা বিজেপি-তে যোগ দেন, তার জন্য নাকি বিজেপি এখন থেকেই হুমকি দিচ্ছে। এমনই গুরুতর অভিযোগ মমতার।


রবিবার মমতা অভিযোগ করেছেন, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। তাই তারা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ও মন্ত্রীদের দলে টানতে চাইছে। সেই মতো এখন থেকেই হুমকি দিয়ে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছে। আর মমতার এহেন দাবির ফলেই বাংলায় ভোটের আগে হর্স ট্রেডিং নিয়ে চর্চা চুঙ্গে উঠেছে।

আসলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট আসন সংখ্যা ২৯৪। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চাইলে ১৪৮ আসন পেতে হবে। আর সেটাই বিজেপি পাবে না। সেই মতো এখন থেকেই তৃণমূলের নেতাদের ভোটে জিতে আসার পর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার করা জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি মমতার।

আর শুধু হর্স ট্রেডিং নয়, পাশাপাশি ডিলিমিটেশন নিয়েও অভিযোগের সুর চড়ান তৃণমূলনেত্রী। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার একটি ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গকে তিন ভাগে ভাগ করতে চায়। এর ফলে রাজ্যের কিছু অংশ বিহার বা ওড়িশার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। 

তিনি বলেন, 'বিজেপি পশ্চিমবঙ্গকে তিন ভাগে ভাগ করার জন্য একটি ডিলিমিটেশন বিল আনতে চাইছে। এতে রাজ্যের কিছু অংশ বিহার বা ওড়িশার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। সেখানকার বাঙালিদের ওপর অত্যাচার হতে পারে।'

পাশাপাশি মমতা অভিযোগ করেন, বিজেপি রাজ্যে তৃণমূল সরকারকে সরাতে ১,০০০ কোটি টাকার চুক্তি করেছে। এই বিষয়ে বলার সময় তিনি হুমায়ুন কবীরের ভাইরাল ভিডিওর প্রসঙ্গ তোলেন। এই ভিডিওতে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধানকে বিজেপি নেতাদের, বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে যোগাযোগে থাকার কথা বলতে শোনা যায়। পাশাপাশি তৃণমূলকে হারাতে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করার জন্য ১,০০০ কোটি টাকার চুক্তির মধ্যে ২০০ কোটি টাকা অগ্রিম পেয়েছেন বলে দাবি করতে শোনা।

Advertisement

তবে এই ভিডিওর সত্যতা bangla.aajtak.com-এর পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়নি। কিন্তু তৃণমূল এই বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। আবার অন্যদিকে বিজেপি ও এজেইউপি এই ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেছে।

কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়েও বিরাট দাবি
মমতা আরও অভিযোগ করেন, আসন্ন নির্বাচনের জন্য রাজ্যে মোতায়েন করা কেন্দ্রীয় বাহিনী তল্লাশির নামে মহিলাদের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ করছে।

পাশাপাশি তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটের আগে ভোটারদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও তোলেন। তিনি বলেন, 'বিজেপি ভোটের আগে ভোটারদের ঘুষ দেয়। কিন্তু ভোটের পর তাদের প্রতিশ্রুতি ভুলে যায়। বিহারের নির্বাচনে তা দেখা গিয়েছে।'

তৃণমূল নেত্রী আরও অভিযোগ করেন, বিজেপি ভোট প্রক্রিয়া প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে পারে। তাই মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে। ভোটিং মেশিনের ওপর নজর রাখতে হবে। তিনি বলেন, 'ইভিএম নিয়ে সতর্ক থাকুন। বিজেপি ধীরে ভোট গ্রহণ ও ধীরে গণনার প্ল্যান করেছে। তাদের সব পরিকল্পনা ব্যর্থ করুন।'

 

POST A COMMENT
Advertisement