West Bengal Election: আফরিনের হাতে নগদ ৫০০, রূপার রয়েছে ৫টি বাড়ি, কত সম্পত্তি দীপ্সিতা, শ্রেয়াদের?

নির্বাচনের ময়দানে সকলেই বিরোধীপক্ষকে প্যাঁচে ফেলতে একের পর এক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে হাজির। ভোটারদের মনজয় করতে চলছে জবরদস্ত প্রতিশ্রুতি। কিন্তু একটা জায়গায় না খাটানো যাচ্ছে কোনও ফন্দিফিকিরই। তা হল, নির্বাচনী হলফনামা।

Advertisement
আফরিনের হাতে নগদ ৫০০, রূপার রয়েছে ৫টি বাড়ি, কত সম্পত্তি দীপ্সিতা, শ্রেয়াদের? উপরে বাঁ দিক থেকে আফরিন, শ্রেয়া ও দীপ্সিতা। নীচে ডান দিক থেকে চন্দ্রিমা, রূপা ও অগ্নিমিত্রা
হাইলাইটস
  • কত কোটি টাকার মালিক শ্রেয়া?
  • দীপ্সিতা-আফরিনদের হাতে কত টাকা?
  • কত সম্পত্তি চন্দ্রিমা-রূপার?

নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন পেশ করতে গিয়ে হলফনামায় বড় বড় করে লিখতে হচ্ছে সম্পত্তির পরিমাণ, দিতে হচ্ছে গাড়ি-বাড়ি-গয়না, এমনকী আয়ের উৎস বা মামলা-মোকদ্দমার বিস্তারিত বিবরণও। আর এই হিসেব-নিকেশের দাঁড়িপাল্লায়, লাল-সবুজ-গেরুয়া, কোন দলের কোন মহিলা প্রার্থীরা এগিয়ে? সম্পত্তির নিরিখে পিছিয়ে কারা?  

কোন মহিলা প্রার্থী কত টাকার মালিক?
আফরিন বেগম (CPIM): সম্ভবত দলের সবচেয়ে গরিব প্রার্থী। হলফনামা অনুযায়ী, বালিগঞ্জের CPIM প্রার্থীর হাতে এই মুহূর্তে রয়েছে নগদ ৫০০ টাকা মাত্র। ব্যাঙ্কে রয়েছে ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৭৮৪ টাকা। যা তিনি পান ফেলোশিপ থেকে। যাদবপুরের গবেষক আফরিনের আয়ের উৎস সেটাই। বিমাতে বিনিয়োগ রয়েছে ১ লক্ষ ২১ হাজার ৫২৮ টাকা। গাড়ি, বাড়ি, গয়না, এমনকী স্থাবর কোনও সম্পত্তিই নেই আফরিনের। মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৭৭৮ টাকা। 

শ্রেয়া পাণ্ডে (TMC): ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ১০ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫৩৯ টাকা আয়ের কথা উল্লেখ করেছেন শ্রেয়া। সাধন-কন্যার হাতে রয়েছে নগদ ৬ লক্ষ ৮২ হাজার ১২২ টাকা। একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ টাকা রয়েছে। ৬৪ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকার সোনার গয়না আছে মানিকতলার তৃণমূল প্রার্থীর। রয়েছে ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার রূপোর বাসনপত্র। অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি ১৪ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩১৯ টাকা। ১.৭৫ বিঘা করে দুটি জমি, ধ্যমগ্রামে সাড়ে ৫ কাঠার একটি জমি,  যতীন্দ্র মোহন এভিনিউয়ের পৈতৃক বাড়ি রয়েছে। কলকাতায় মোট তিনটি ফ্ল্যাট রয়েছে শ্রেয়ার। মোট ৭ কোটি ৭৯ লক্ষ ৪ হাজার টাকার স্থাবর সম্পত্তির কথা উল্লেখ করেছেন শ্রেয়া পাণ্ডে। আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন সাধন পাণ্ডের মেয়ে।

দীপ্সিতা ধর (CPIM): উত্তর দমদমের CPIM প্রার্থীর হাতে রয়েছে নগদ ১০ হাজার টাকা। দিল্লির JNU ক্যাম্পাস এবং বাবার সঙ্গে হাওড়ার ব্যাঙ্কের জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে টাকা রয়েছে তাঁর। মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরমাণ ৭ লক্ষ ১৮ হাজার ৪২১ টাকা। গাড়ি, গয়না নেই তাঁর। গবেষক দীপ্সিতার নিজের নামে কোনও বাড়ি বা জমিও নেই। আয়ের একমাত্র উৎস ব্যাঙ্কের সুদ। 

Advertisement

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (TMC): হাতে নগদ রয়েছে ১ লক্ষ ২০ হাজার ২৪০ টাকা। উত্তর দমদমের প্রার্থী ব্যাঙ্কে জমা আছে ১ কোটি ১০ লক্ষ ১৬২ টাকা। রয়েছে একটি ১১ লাখি স্করপিও গাড়ি। সোনা রয়েছে ২৮ গ্রাম। মোট অস্থাবর সম্পত্তি ১ কোটি ২৪ লক্ষ ১৯ হাজার ৯৯ টাকা। কলকাতায় রয়েছে একটি আবাসিক ভবন। 
 
অগ্নিমিত্রা পল (BJP):
হাতে নগদ রয়েছে ৫১ হাজার ৫০০ টাকা। ব্যাঙ্কে জমা রয়েছে ১৫ লক্ষ ৮৫ হাজার ৫৩১ টাকা। গাড়ি নেই অগ্নিমিত্রার। গয়না রয়েছে ১ কোটি ১১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৬১৯ টাকার। BJP প্রার্থীর মোট অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ২ কোটি ৫৬ লক্ষ ৯১ হাজার ৩০১ টাকার। একটি ফ্ল্যাট রয়েছে ১ কোটি ২৮ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৬ টাকার। 

রূপা গঙ্গোপাধ্যায় (BJP): সোনারপুর দক্ষিণের প্রার্থীর হাতে রয়েছে নগদ ১ লক্ষ টাকা। ২টি গাড়ি রয়েছে। গয়না রয়েছে ৬৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ৩০৫ টাকার। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে ৩টি কৃষি জমি, ৫টি বাড়ি। মূল্য ৬ কোটি ৯৫ লক্ষ। 
 

 

POST A COMMENT
Advertisement