কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার I-PAC-এর অন্যতম ডিরেক্টর, ভোটের আগে সক্রিয় ED

ভোটমুখী বঙ্গে বড়সড় পদক্ষেপ নিল ইডি। সোমবার রাতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বড় অ্যাকশনে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। বিধানসভা নির্বাচনের মাত্র সপ্তাহ দেড়েক আগে কয়লা পাচার মামলায় ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দিল্লিতেই এই গ্রেফতারির ঘটনা ঘটেছে।

Advertisement
কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার I-PAC-এর অন্যতম ডিরেক্টর, ভোটের আগে সক্রিয় EDকয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার I-PAC-এর অন্যতম ডিরেক্টর
হাইলাইটস
  • ভোটমুখী বঙ্গে বড়সড় পদক্ষেপ নিল ইডি।
  • এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বড় অ্যাকশনে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।
  • ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

ভোটমুখী বঙ্গে বড়সড় পদক্ষেপ নিল ইডি। সোমবার রাতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বড় অ্যাকশনে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। বিধানসভা নির্বাচনের মাত্র সপ্তাহ দেড়েক আগে কয়লা পাচার মামলায় ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দিল্লিতেই এই গ্রেফতারির ঘটনা ঘটেছে।

সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ED-র এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গত ২ এপ্রিল ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলেছিল। সেই অভিযানের পরও ED-র তদন্ত চলছিল। তদন্তকারীদের হাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আসে। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই এই গ্রেফতারি বলে দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। 

ইডি সূত্রে খবর, সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় চান্ডেলকে প্রথমে আটক ও পরে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। তাঁকে মঙ্গলবার বিশেষ আদালতে পেশ করা হতে পারে, যেখানে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে ইডি।

উল্লেখ্য বিষয় হল, আগামী সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি আছে। সেই শুনানির আগে এই গ্রেফতারি  অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

প্রসঙ্গত, এই মামলায় গত ২ এপ্রিল দিল্লিতে চান্ডেলের বাড়ি ছাড়াও বেঙ্গালুরুর আই-প্যাকের আর এক কো-ফাউন্ডার ও ডিরেক্টর ঋষি রাজ সিং এবং মুম্বইয়ে প্রাক্তন আপ (AAP) নেতা বিজয় নায়ারের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি।

এর আগে ৮ জানুয়ারি কলকাতায় আই-প্যাকের অফিস এবং সংস্থার ফাউন্ডার ও ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে নথিপত্র নিয়ে যাওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়। ইডির দাবি ছিল, তাদের তল্লাশি 'বাধাপ্রাপ্ত' হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি জোর করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, নির্বাচনের আগে আই-প্যাকের নির্বাচন কৌশল সংক্রান্ত নথি দখলের চেষ্টা করছিল ইডি, যা TMC-র ভোটের ব্যক্তিগত বিষয়। 

এই ঘটনাকে “ক্ষমতার অপব্যবহার” বলে দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে সিবিআই তদন্তের আবেদন জানিয়েছে ইডি। বুধবার সেই মামলারই ফের শুনানি করা হবে। আর তার আগে এই গ্রেফতারিকে অত্য়ন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement