মমতা যখন রেডরোডের নমাজে, শুভেন্দু তখন কালীঘাটে পুজো দিচ্ছেন, ভবানীপুরে প্রচার শুরু

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরুর আগে কালীঘাটে পুজো দিয়ে নিজের প্রচার অভিযান শুরু করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার, ইদের দিন সকালে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে তিনি পৌঁছন মন্দিরে। এবং দেবীর আরাধনা করেন। তাঁর আগমন ঘিরে সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

Advertisement
মমতা যখন রেডরোডের নমাজে, শুভেন্দু তখন কালীঘাটে পুজো দিচ্ছেন, ভবানীপুরে প্রচার শুরুফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরুর আগে কালীঘাটে পুজো দিয়ে নিজের প্রচার অভিযান শুরু করলেন শুভেন্দু অধিকারী।
  • শনিবার, ইদের দিন সকালে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে তিনি পৌঁছন মন্দিরে।

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরুর আগে কালীঘাটে পুজো দিয়ে নিজের প্রচার অভিযান শুরু করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার, ইদের দিন সকালে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে তিনি পৌঁছন মন্দিরে। এবং দেবীর আরাধনা করেন। তাঁর আগমন ঘিরে সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

পুজো দেওয়ার পরই ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রচারে বেরোনোর কথা রয়েছে শুভেন্দুর। জানা গিয়েছে, তিনি এলাকার একাধিক পুরনো বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে জনসংযোগ করবেন। এরপর দিন শেষে তাঁর নন্দীগ্রামে ফেরার কথাও রয়েছে, যেখানে সমান্তরালভাবে চলছে তাঁর প্রচার কর্মসূচি।

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর অন্যতম হাইভোল্টেজ কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। এই কেন্দ্র তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি, যেখানে প্রার্থী হয়েছেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে বিজেপি এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে শুভেন্দু অধিকারীকে। ফলে দুই শীর্ষ নেতার মুখোমুখি লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে।

প্রার্থী ঘোষণার পরই প্রচারে নেমে পড়েছিলেন শুভেন্দু। তবে চক্রবেড়িয়া এলাকায় প্রচারের সময় তাঁকে ঘিরে ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান ওঠে, পাল্টা স্লোগান দেন বিজেপি কর্মীরা। কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও পরে তা নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর থানায় গিয়ে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগও তোলেন তিনি।

অন্যদিকে, এই লড়াইকে বিশেষ গুরুত্ব না দিয়ে আত্মবিশ্বাসী শাসকদল। মমতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভবানীপুরে তাঁর জয় নিশ্চিত এবং এই কেন্দ্র থেকেই রাজ্যজয়ের বার্তা যাবে। সব মিলিয়ে, ভবানীপুরে এবার রাজনৈতিক লড়াই যে জমে উঠতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

 

POST A COMMENT
Advertisement